৫ বাড়িতে ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ

ফরিদপুরে দুই দল গ্রামবাসীর সংঘর্ষে আহত ৩০

আপডেট : ২৩ মার্চ ২০২২, ১২:১৩ এএম

খেলাধুলায় বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার আলগী ইউনিয়নে দুই গ্রামবাসীর মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। কয়েক ঘণ্টাব্যাপী চলা এ সংঘর্ষে অন্তত পাঁচটি বাড়িতে ভাঙচুর, লুটপাট চালানো হয় এবং অগ্নিসংযোগের ঘটনাও ঘটে। এ সময় কমপক্ষে ৩০ ব্যক্তি আহত হয়েছেন। গতকাল মঙ্গলবার সকালে এ ঘটনা ঘটে। আহতদের মধ্যে অন্তত ১৫ জনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আলগী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান কাউসার ভুঁইয়ার একটি জমির ওপর বালিয়াচড়া গ্রামের ছেলেমেয়েরা খেলাধুলা করত। সেখানে সোনাখোলা গ্রামের কিছু লোকজন খেলাধুলায় বাধা দেয়। এ নিয়ে গত সপ্তাহে সোনাখোলা গ্রামের লোকজন বালিয়াচড়া গ্রামের কয়েকজনকে মারধর করে। বিষয়টি দুই গ্রামের মাতবররা সালিশ বৈঠকে মীমাংসার চেষ্টা করেন। কিন্তু মীমাংসার আগেই মঙ্গলবার সকালে দুই গ্রামের লোকজন দেশি অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এ সময় বালিয়াচড়া গ্রামের বেশ কয়েকটি বসতঘরে ব্যাপক ভাঙচুর করা হয় এবং ঘরের ভেতরে থাকা মালামাল লুটপাট করা হয়। এছাড়া বসতবাড়ির বিভিন্ন গাছপালাও কেটে ফেলা হয় এবং দুটি বসতবাড়ির পাটকাঠির মাচায় আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ভাঙ্গা থানা পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা দুই গ্রামের মোড়ে মোড়ে অবস্থান নেয়।

সংঘর্ষে আহত রুবেল, জালাল, সালেহা বেগম, খোকন মুন্সি, রাজ্জাক শেখ, ওমর আলী মোল্লা, ইমরান মাতুব্বর, এনামুল শেখ, লালন হরকরা, রমজান শেখ, হিট মাতুব্বর, মিজানুর মুন্সি, বোরহান শেখ, জাকির ও বিল্লাল হোসেনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। ভাঙ্গা থানার ওসি সেলিম রেজা বলেন, ‘সংঘর্ষের খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। পরবর্তীকালে জেলা সদর থেকে অতিরিক্ত পুলিশ এনে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হই। পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা গ্রাম দুটির মোড়ে মোড়ে অবস্থান করছে।’

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত