কঠিন বর্জ্যর সঠিক ব্যবস্থাপনা করতে না পারলে পরিবেশ দূষণ বাড়বে। এ অবস্থায় কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় একটি কার্যকর বাস্তবায়নযোগ্য নীতি প্রণয়ন ও পৃথক বাজেট বরাদ্দসহ ৪ দফা দাবি জানিয়েছে বেসরকারি উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান বারসিক।
ইউএসএইড এবং এফসিডিও এর অর্থায়নে এবং কাউন্টার পার্ট ইন্টারন্যাশনাল এর কারিগরি সহযোগীতায় ‘ঢাকা কলিং’ কনসোর্টিয়াম প্রকল্পের আওতায় বারসিকের উদ্যোগে রবিবার হাজারিবাগ এলাকায় এক আলোচনা সভায় বক্তারা এসব দাবি জানান।
বস্তিবাসী অধিকার সুরক্ষা কমিটির সভাপ্রধান রাফেজা বলেন, আমরা বস্তিবাসীরা নানাভাবে বঞ্চিত। আমাদের নাগরিক হিসেবেই এই শহরে স্বীকৃতি দেয়া হয় না। আমরা মানুষ হিসেবে বাঁচতে চাই। বস্তিবাসীরা এই করোনা পরবর্তী সময়ে নানাবিধ সংকটে নিমজ্জিত। আমাদের সিবিও সদস্যরা বারবার নানা দাবিতে ঢাকা কলিং প্রকল্প থেকে স্থানীয় কাউন্সিলরসহ বিভিন্ন পর্যায়ে আমাদের দাবিগুলো তুলে ধরার চেষ্টা করে, সম্প্রতি আমরা সংসদীয় কমিটির কাছেও স্মারকলিপি প্রদান করেছি। কিন্তু আমাদের খুব কম দাবি বাস্তবায়ন হয়।
তিনি আরো বলেন, আমরা চাই কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য সরকার পৃথক বাজেট ও বরাদ্দ দিক। আসন্ন বাজেটে বস্তিবাসীদের কথাগুলো যেন বরাদ্দের জায়গায় ঠায় পায়।
সিবিও নেতা হারুন বলেন, বস্তিবাসীদের নিয়ে আমাদের দীর্ঘদিনের সংগ্রাম। আমরা সিবিও সংগঠনগুলোকে আরো সংগঠিত করছি সরকারের সামনে আমাদের ন্যায্য দাবিগুলো তুলে ধরার জন্য।
সিবিও নেত্রী পেয়ারা বেগম বলেন, ময়লা আমাদের জীবন অতিষ্ঠ কইরা ফালাইছে । আমরা ময়লা থেকে মুক্তি চাই আর চাই একটা সুন্দর জীবন। সরকারের কাছে আমরা দাবি জানাই আমাদের জন্য রেশনিংয়ের ব্যবস্থা করেন, আলাদা বাজেট দেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন কাপের নির্বাহী পরিচালক খন্দকার রেবেকা সান ইয়াত, বারসিকের প্রজেক্ট ম্যানেজার ফেরদৌস আহমেদ, ঢাকা কলিং এর মনিটরিং ও ডকুমেন্টেশন অফিসার ফারহা হাদিয়া, বস্তিবাসী অধিকার সুরক্ষা কমিটির সভাপ্রধান হোসনে আরা বেগম রাফেজাসহ সভাপ্রধান হারুন অর রশিদ, হেনা আক্তার, রুপালী বেগম প্রমুখ।
