প্রশ্নপত্র বহনকারী গাড়ি ডিজিটালি ট্র্যাক করেছি: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

আপডেট : ০১ এপ্রিল ২০২২, ০১:০১ পিএম

এমবিবিএস প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁস ঠেকাতে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, ‘আমরা সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করেছি। যার ফলে প্রশ্নপত্র ফাঁসের কোনো সুযোগ নেই বলে জানিয়েছেন।

শুক্রবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) কলা ভবনে পরীক্ষাকেন্দ্র পরিদর্শন শেষে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক এসব তথ্য জানিয়েছেন।

প্রযুক্তির ব্যবহারের উদাহরণ টেনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘যেই গাড়িতে প্রশ্নপত্র কেন্দ্রগুলোতে নিয়ে যাওয়া হয়, সে গাড়িগুলোকে আমরা ডিজিটালি ট্র্যাক করা হয়। আমরা ডিজি (স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডিরেক্টর জেনারেল) অফিসে বসে আমরা দেখতে পারি কোথায় গাড়ি যাচ্ছে, থামছে কিংবা রওনা দিচ্ছে। যে বাক্সে করে প্রশ্ন নেওয়া হয়, সেগুলো খুললেও বোঝা যায় যে, এই বাক্সগুলো এখন খোলা বা বন্ধ করা হচ্ছে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, দেশে এখন ৭২টি বেসরকারি এবং ৩৭টি সরকারি মেডিকেল কলেজ রয়েছে। যেগুলোতে মোট আসন রয়েছে ১০ হাজার ৮৩৯টি। এতে ভর্তির জন্য আবেদন করেছেন ১ লাখ ৪৩ হাজার ৯১৫ জন শিক্ষার্থী; যা বিগত বছরগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ। এ বছর সারা দেশের মোট ৫৭টি ভেন্যুর ১ হাজার ৭৯২টি কেন্দ্রে এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন পরীক্ষার কেন্দ্র পরিদর্শন করে তিনি বলেন, ‌‌‘আমি দু-একটা হলে গিয়েছি, পরীক্ষা সুন্দরভাবে শুরু হয়েছে। সারা বাংলাদেশে পরীক্ষা শুরু হয়েছে, এমসিকিউ মাধ্যমে এ পরীক্ষা নেওয়া হচ্ছে। এখন পর্যন্ত কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর আমরা শুনিনি। শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলেছি, তারা জানিয়েছে প্রশ্ন স্ট্যান্ডার্ড হয়েছে। আমরা আশা করি সুষ্ঠু এবং সুন্দরভাবেই পরীক্ষা শেষ হবে।’

জাহিদ মালেক বলেন, আমরা নিরাপত্তার জন্য সব ধরনের সতর্কতা আমরা নিয়েছি। এখানে নিরাপত্তার দায়িত্বে পুলিশ, র‍্যাব দায়িত্ব পালন করছেন। আমরা সব ধরনের গণমাধ্যম; যেমন ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপও আমরা মনিটরিং করছি। ইতিমধ্যে আমরা দুজনকে গ্রেপ্তারও করা হয়েছে। তারা ভুয়া প্রশ্নপত্র টাকার বিনিময়ে বিক্রি করার চেষ্টা করছিল। তারা এখন জেলে আছে। আশা করছি কোনো অঘটন ঘটবে না, আমরা সতর্ক আছি।

এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. এবিএম খুরশিদ আলম, স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (মেডিকেল শিক্ষা) অধ্যাপক ডা. এ কে এম আহসান হাবীব, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. সামাদ, স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের সাবেক সচিব মো. আলী নূর, ঢাকা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. টিটু মিয়া, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল নাজমুল হক।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত