রাজধানীর কদমতলী পলাশপুর এলাকার একটি বাসা থেকে গভীর রাতে ইমরান মৃধা (৪০) নামে এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তিনি দিনমজুরের কাজ করতেন।
রবিবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে পলাশপুর বি ব্লকের ১ নম্বর রোডের ১৩ নম্বর বাসা থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। পরে ময়নাতদন্তের জন্য সোমবার সকালে মৃতদেহটি ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায় পুলিশ।
কদমতলী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) বিকাশ বাড়ৈ সুরতহাল প্রতিবেদনে উল্লেখ করেন, রাতে ওই বাসা থেকে শায়িত অবস্থায় ইমরানের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। তার গলায় অর্ধচন্দ্রাকৃতির কালো দাগ রয়েছে।
ধারণা করা হচ্ছে পারিবারিক কলহের কারণে গলায় ফাঁস দিয়ে তিনি আত্মহত্যা করেছেন।
মৃত ইমরানের বড় ভাই অলিল মৃধা জানান, তাদের বাড়ি পটুয়াখালী গলাচিপা উপজেলায়। বাবার নাম ইউসুফ মৃধা। এক ছেলে ও এক মেয়ে সহ স্ত্রী নুরনাহারকে নিয়ে পলাশপুরের বাসায় ভাড়া থাকতেন ইমরান। গত তিন বছর ধরে এলাকার এক ফল ব্যবসায়ীর সাথে তার স্ত্রীর পরকীয়া প্রেমের সম্পর্ক ছিল। এ বিষয় নিয়ে তাদের স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে প্রায়ই ঝগড়াঝাঁটি হতো।
তিনি জানান, রাতে তাদের মধ্যে ঝগড়া হলে নুরনাহার বাসা থেকে বেরিয়ে চলে যায়। পরে রাত ১১ টার দিকে বাসায় ফিরে আসে নুরনাহার। এরপর তাদের ছেলে মারুফ পাশের রুমে গিয়ে দেখেন তার বাবা গলায় ফাঁস দিয়ে ঝুলছে। তখন তারা ঝুলন্ত অবস্থা থেকে তাকে নিচে নামায়। এরপরে স্বজনদের খবর দেয়। পরে পুলিশ খবর পেয়ে লাশ উদ্ধার করে।
