মুন্সীগঞ্জে সংঘর্ষে দুজন গুলিবিদ্ধসহ আহত ২০

আপডেট : ০৯ এপ্রিল ২০২২, ১১:০৭ পিএম

আধিপত্য বিস্তার নিয়ে মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার মোল্লাকান্দিতে দুই পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলা ও সংঘর্ষে দুজন গুলিবিদ্ধসহ অন্তত ২০ জন আহত হয়েছে। এ সময় মুহুর্মুহু ককটেল বিস্ফোরণ ঘটে।

গতকাল শনিবার ভোর ৬টার দিকে সদরের মোল্লাকান্দি ইউনিয়নের নোয়াদ্দা ও চরবেশনাল গ্রামে ইউপি চেয়ারম্যান রিপন হোসেন পাটোয়ারী ও সাবেক চেয়ারম্যান মহসিনা হক কল্পনা সমর্থকদের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলা ও সংঘর্ষের এ ঘটনা ঘটে।

এ সময় গুলিবিদ্ধ হনুফা বেগম (৬০) ও রিফাত হোসেনকে (১০) ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহত নুসরাত (২৫), নুরুল মোল্লা (৫০), মামুন গাজী (৩৮), ইমরান গাজী (৩৫), রহমতউল্লাহ (২২), রানা বেপারী (১৮), মো. শরীফ খান (২৫)  ও সারোয়ার হোসেনসহ (২৫) বাকিদের মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়।

স্থানীয়রা জানান, ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের পর থেকে বর্তমান চেয়ারম্যান ও সাবেক চেয়ারম্যানের পক্ষের লোকজনের মধ্যে বিরোধ চলে আসছে। এর মধ্যে সাবেক চেয়ারম্যান কল্পনার সমর্থকরা ইউনিয়নের বেশ কয়েকটি গ্রাম থেকে বিতাড়িত ছিলেন। আলু উত্তোলনের উৎসব ঘিরে সাবেক চেয়ারম্যানের সমর্থকরা ইউনিয়নের চরবেশনাল ও নোয়াদ্দা গ্রামের বাড়ি ফিরতে গেলে বর্তমান চেয়ারম্যানের সমর্থকরা বাধা দেয়। এ নিয়ে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে দুই পক্ষের লোকজনের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলা ও সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়।

সদর থানার ওসি মো. আবু বক্কর সিদ্দিক বলেন, সংঘর্ষে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। গুলিবিদ্ধ দুজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিদের চিকিৎসা দেওয়া হয়।

ইউপি চেয়ারম্যান রিপন পাটোয়ারী বলেন, নির্বাচনে হেরে কল্পনার লোকজন আমাদের ওপর ক্ষিপ্ত ছিল। গেল শুক্রবার সন্ধ্যায় আমার পক্ষের কয়েকজনকে মারধর করে। আজ সকালে আবার কল্পনার পক্ষের লোকজন হামলা চালিয়ে বাড়িঘরে ভাঙচুর ও লুটপাট করে। এতে আমার পক্ষের লোকজন বাধা দিলে সংঘর্ষ বেধে যায়। এতে ১০ থেকে ১৫ জন আহত হয়েছে।

সাবেক চেয়ারম্যান মহসিনা হক কল্পনা বলেন, নির্বাচনের পর আমার লোকজনকে গ্রামছাড়া করা হয়েছে। কিছুদিন ধরে তারা এলাকায় ফিরতে শুরু করে। সকালে রিপন পক্ষের লোকজন আমার লোকজনের বাড়িঘরে ভাঙচুর চালায় ও মালামাল লুট করে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত