যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনকে লকডাউনের বিধিনিষেধ ভঙ্গ করায় জরিমানা করা হয়েছে। একই অভিযোগে চ্যান্সেলর ঋষি সুনাককে জরিমানা করবে পুলিশ। খবর বিবিসি।
মঙ্গলবার বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর স্ত্রী ক্যারি জনসনকেও আইনি নোটিশ দেওয়া হবে।
যুক্তরাজ্যের কর্মকর্তারা জানান, করোনাকালে লকডাউনের সময় ডাউনিং স্ট্রিটে পার্টি করায় এ তিনজনকে জরিমানার নোটিশ দিয়েছে লন্ডন মেট্রোপলিটন পুলিশ। তদন্তের ভিত্তিতে ওই নোটিশ পাঠিয়েছে পুলিশ।
জনসন ও সুনাকের মুখপাত্র বলেন, কোন ঘটনার জন্য এই জরিমানা করা হবে তা তাদের জানানো হয়নি।
বিবিসি বলছে, ২০২০ সালের জুনে প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের জন্মদিনের তারা একই পার্টিতে উপস্থিত ছিলেন বলে জানা গেছে। এ ঘটনার পর লেবার পার্টির নেতা কেইর স্টারমার এবং স্কটল্যান্ডের ফার্স্ট মিনিস্টার নিকোলা স্টারজন বলেছেন, জনসন ও সুনাককে অবশ্যই পদত্যাগ করতে হবে।
বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, হোয়াইটহল ও ডাউনিং স্ট্রিটে ১২টি সমাবেশে করোনার বিধিনিষেধ ভাঙার অভিযোগ তদন্ত করছে লন্ডন মেট্রোপলিটন পুলিশ। এসব ঘটনায় এ পর্যন্ত ৫০ জনের বেশি মানুষকে জরিমানা করা হয়েছে।
করোনায় মারা যাওয়া ব্যক্তিদের স্বজনর সংগঠন ফ্যামিলিজ ফর জাস্টিস গ্রুপের মুখপাত্র লবি আকিনোলা বলেন, করোনায় মানুষ যখন প্রিয়জনদের হারিয়েছেন তখন সরকারের সিনিয়র সদস্যরা বিভিন্ন পার্টিতে অংশ নিয়েছেন। এটা আমাদের জন্য বেদনাদায়ক।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী ও তার চ্যান্সেলর এ বিষয়ে মিথ্যা বলেছেন এবং পুলিশ হস্তক্ষেপ না করলে তারা হয়তো এসব অব্যাহত রাখতেন। তারা স্পষ্টত আইন ভঙ্গ করেছেন।
লেবার পার্টির নেতা কেইর বলেন, প্রধানমন্ত্রী ও চ্যান্সেলরের জরিমানা প্রমাণ করে কনজারভেটিভরা 'দেশ চালাতে পুরোপুরি অযোগ্য' ব্রিটেন আরো ভালো কিছু প্রত্যাশা করে। বরিস জনসন ও ঋষি সুনাক আইন ভঙ্গ করেছেন এবং ব্রিটিশ জনগণের কাছে বারবার মিথ্যা বলেছেন। তাদের পদত্যাগ করতে হবে।
