মুন্সীগঞ্জের টঙ্গীবাড়ি উপজেলার নাটেশ্বর দেউলে প্রত্নতাত্ত্বিক খননে এবার আবিষ্কৃত হয়েছে হাজার বছরের প্রাচীন অষ্টকোনাকৃতির স্তূপ, সীমানা প্রাচীর, স্তূপ হলঘর বা মণ্ডপ ও স্তূপের ইটের দেয়াল।
পঞ্চম স্তূপের আদি পর্যায়ের অষ্টাকোনাকৃতি স্তূপের দেয়ালের গাঁথুনি এখনো অপূর্ব মসৃণ। মনে হয় যেন আধুনিক সিরামিকের ইটের গাঁথুনি।
সদ্য আবিষ্কৃত অষ্টকোনাকৃতি এ স্তূপটি নাটেশ্বর দেউলের পঞ্চম স্তূপ। নাটেশ্বর দেউলে অগ্রসর বিক্রমপুর ফাউন্ডেশন প্রত্ন উৎখননের কাজ শুরু করে ২০১৩ সালে। এর আগে খননের মধ্য দিয়ে অষ্টকোনাকৃতি ৪টি স্তূপ আবিষ্কৃত হয়।
শনিবার বেলা ১২টার দিকে নাটেশ্বর দেউলে অগ্রসর বিক্রমপুর ফাউন্ডেশন আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ ও সভাপতির বক্তৃতা করেন ফাউন্ডেশনের সভাপতি নূহ-উল-আলম লেনিন। এতে প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আবুল মনসুর।
সম্মানিত অতিথি ছিলেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রত্ন-অধিদপ্তরের মহাপরিচালক রতন চন্দ্র পণ্ডিত।
জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ও ঐতিহ্য অন্বেষণের নির্বাহী পরিচালক ড. সুফি মুস্তাফিজুর রহমানের সঞ্চালনায় এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন প্রত্নতাত্ত্বিক অধিদপ্তরের আঞ্চলিক পরিচালক রাখী রায়, টঙ্গীবাড়ি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জগলুল হালদার ভুতু, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুমানা তানজিন অন্তরা, সদরের বজ্রযোগিনীর অতীশ দীপংকর কমপ্লেক্সের অধ্যক্ষ করুনা নন্দ থেরো, টঙ্গীবাড়ি উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কবীর হালদার, টঙ্গীবাড়ি থানার ওসি মোল্লা সোহেব আলী।
