খুলনায় ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর এক নারী (২৩) দলবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছেন। গত রবিবার রাতে সুন্দরবনসংলগ্ন কয়রা উপজেলার নলপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় জড়িত চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, গত রবিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে মুন্ডা সম্প্রদায়ের ওই নারী তার সাড়ে তিন বছরের শিশুকন্যাকে নিয়ে বাড়িতে ঘুমিয়েছিলেন। এ সময় বখাটেরা দরজা ভেঙে ঘরে প্রবেশ করে তার মুখ বেঁধে ধর্ষণ করে পালিয়ে যায়। পরে ওই নারীর চিৎকারে আশপাশের লোকজন জড়ো হয়ে তাকে উদ্ধার করে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে চিকিৎসার জন্য প্রথমে তাকে কয়রা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠায়। পরে তাকে থানা হেফাজতে নেওয়া হয়।
স্থানীয় ইউপি সদস্য শেখ সোহরাব হোসেন জানান, ওই নারীর স্বামী ইট ভাটায় শ্রমিকের কাজ করেন। যে কারণে বছরের ছয় মাস তাকে বাড়ির বাইরে থাকতে হয়। এ সুযোগে বখাটেরা এ ঘটনা ঘটায়।
কয়রা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রবিউল হোসেন বলেন, দলবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় ভিকটিম নিজেই বাদী হয়ে পাঁচজনকে আসামি করে মামলা করেছেন। এর মধ্যে চারজন এজাহারভুক্ত ও একজন অজ্ঞাত আসামি রয়েছে।
খুলনার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মাহবুব হাসান বলেন, ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
নড়াইলে বাকপ্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণ : নড়াইলে এক বাকপ্রতিবন্ধী কিশোরী (১৪) ধর্ষণের শিকার হয়েছে। এ ঘটনায় রাশেদুল ইসলাম (১৭) নামে এক কিশোরকে আটক করেছে পুলিশ। তার বাড়ি যশোরের মনিরামপুরে। সে তার নানাবাড়ি মালাধারা গ্রামে বেড়াতে এসেছিল। পুলিশ ও কিশোরীর পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গত রবিবার বিকেলে সদর উপজেলার বিছালী ইউনিয়নের আটরা গ্রামে ওই কিশোরী বাগানে জ্বালানি কুড়াতে যায়। এ সময় রাশেদুল ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করে। পরে পরিবারের সদস্যরা তাকে নড়াইল সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন।
নড়াইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ মো. শওকত কবির বলেন, ‘আমি ঘটনা শুনেছি এবং ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। এ ঘটনায় জড়িত রাশেদুল নামে এক কিশোরকে আটক করা হয়েছে।’
