নিউমার্কেটে ছাত্র-ব্যবসায়ী সংঘর্ষ

নিহত নাহিদ ও মোরসালিন পরিবারের পাশে বসুন্ধরা গ্রুপ

আপডেট : ২৮ এপ্রিল ২০২২, ০১:৫৮ এএম

নিউমার্কেট এলাকার ছাত্র-ব্যবসায়ী সংঘর্ষের ঘটনায় নিহত নাহিদ ও মোরসালিনের পরিবারের পাশে দাঁড়াল বসুন্ধরা গ্রুপ। গতকাল বুধবার বিকেল ৩টায় বসুন্ধরা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সায়েম সোবহান আনভীর নিজ বাসভবনে প্রত্যেক পরিবারকে ১০ লাখ টাকার চেক তুলে দেন।

গতকাল বসুন্ধরা গ্রুপ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, গণমাধ্যমে নাহিদ ও মোরসালিনের পরিবারের অসহায়ত্বের বিষয় জেনে বসুন্ধরার চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহান দুই পরিবারকে সহায়তা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।

সেই সিদ্ধান্ত মোতাবেক গতকাল ব্যবস্থাপনা পরিচালক সায়েম সোবহান আনভীর নাহিদ হাসানের বাবা মো. নাদিম মিয়ার হাতে ৩ লাখ, মা নার্গিসকে ৩ লাখ, স্ত্রী শিলা ও তার বাবা ডালিমের হাতে ৪ লাখ টাকার চেক এবং মোরসালিনের মা নূরজাহানের হাতে ৩ লাখ ও তার স্ত্রী অনি আক্তার মিতুর হাতে দুই সন্তান ও তার জন্য ৭ লাখ টাকার চেক তুলে দেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপের পরিচালক ইমদাদুল হক মিলন, বসুন্ধরা গ্রুপের গণমাধ্যমবিষয়ক উপদেষ্টা মোহাম্মদ আবু তৈয়ব, নিউজ২৪-এর নির্বাহী সম্পাদক রাহুল রাহা। ইমদাদুল হক মিলন বলেন, নাহিদ ও মোরসালিনের পরিবারের পাশে দাঁড়ানো অতুলনীয় একটি উদ্যোগ। বসুন্ধরা গ্রুপের পক্ষ থেকে দুটি পরিবারকে যে ১০ লাখ করে টাকা দেওয়া হয়েছে তা পরিবার দুটির ভবিষ্যতের জন্য কাজে আসবে।’ সহায়তা হাতে পেয়ে নিহত নাহিদ হাসানের স্ত্রী শিলা মনি বলেন, ‘নাহিদকে তো আর ফিরা পামু না। মরে গিয়াও সে আমাগো ভবিষ্যৎ ঠিক করে দিয়া গেছে। বসুন্ধরা গ্রুপের সহায়তা পাইয়া বাঁইচা থাকার স্বপ্ন দেখতাছি।’

নাহিদের মা নার্গিস বলেন, ‘মইরা গিয়াও আমাগো পাশেই আছে নাহিদ। বসুন্ধরা গ্রুপ আইশা পাশে দাঁড়াইল, আল্লাহ তাগোরে আরো বড় করুক।’

মোরসালিনের স্ত্রী অনি আক্তার মিতু বলেন, ‘আমার মেয়েটা এখনো রাতে বাবাকে খোঁজে। ও জানে না ওর বাবা আর ফিরবে না। এখনো বাবা ঈদের জামা নিয়ে আসবে বলে সে ভাবে।’ মোরসালিনের শ্বশুর মকবুল বলেন, ‘এই টাকা (সহায়তা) দিয়ে আমার মেয়েটার জন্য, তার ভবিষ্যতের জন্য কিছু একটা করার চিন্তা আছে। যাতে নিজে ও দুইটা বাচ্চারে নিয়ে চলতে পারে।’

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত