কুলাউড়ায় বেপরোয়া বালুর ট্রাক, দুর্ঘটনার আশঙ্কা

আপডেট : ২৮ এপ্রিল ২০২২, ১১:২৯ এএম

মৌলভীবাজারের কুলাউয়ায় বেপরোয়া গতিতে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে বালুবাহী ট্রাক। ত্রিপল ব্যবহার করার কথা থাকলেও তা মানা হচ্ছে না। এতে বাতাসের সাথে বালু উড়ে এসে চোখে-মুখে পড়ে মারাত্মক দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে।

কুলাউড়া-রবিরবাজারসহ বিভিন্ন সড়কে প্রায়ই খোলা ট্রাকে বালু পরিবহন করা হয়। মনু নদী থেকে এসব বালু উত্তোলন করে রবিরবাজার সড়ক দিয়ে পরিবহন করে বিভিন্ন জায়গায় নেওয়া হয়। ফলে বাতাসের সাথে বালু মিশে সড়কজুড়ে ধুলোর মেঘ তৈরি হয়। এতে বিপাকে পড়েছেন পথচারীসহ স্কুল-কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থী ও সাধারণ যাত্রীরা।

সরেজমিন দেখা যায়, মনু নদী থেকে আসা বালুর ট্রাক সম্পূর্ণ খোলা অবস্থায় চালকেরা সড়ক দিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। ট্রাকের বালু ঢাকার জন্য বালুর ওপরে ত্রিপল ব্যবহার করার কথা থাকলেও তা মানা হচ্ছে না। ফলে চলন্ত গাড়ি থেকে বাতাসের সঙ্গে মিশে অনেকের চোখে-মুখে পড়ছে বালু।

স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন থেকে এই রাস্তা দিয়ে বিভিন্ন স্থানে বালু নেওয়া হয়। বালু বহনের সময় অনেক ট্রাকে কোনো আবরণ দেওয়া হয় না। ফলে বালু রাস্তার চারপাশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে, চোখে-মুখে উড়ে আসে।

কুলাউড়া-রবিরবাজারের এই সড়ক দিয়ে প্রতিদিন উপজেলার কর্মধা, পৃথিমপাশা, রাউৎগাঁও, হাজীপুর ও শরীফপুর ইউনিয়নের হাজারো মানুষ যাতায়াত করেন। এছাড়া এ সড়কের পাশে লংলা আধুনিক ডিগ্রি কলেজ, সদপাশা প্রাথমিক বিদ্যালয়, লংলা ইন্টারন্যাশনাল এডুকেয়ার, নোবেল একাডেমিসহ বিভিন্ন প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্কুল রয়েছে। খোলা ট্রাকে বালু পরিবহনের কারণে ট্রাকের বালু বাতাসের সাথে মিশে চোখে-মুখে গিয়ে পড়ছে শিক্ষার্থীসহ মোটরসাইকেল আরোহী ও সাধারণ যাত্রীদের। এতে ভোগান্তির পাশাপাশি যেকোনো সময় মারাত্মক দুর্ঘটনার শঙ্কা রয়েছে।

এ সড়ক দিয়ে নিয়মিত মোটরসাইকেলে উপজেলা সদরে যাতায়াত করেন সাংবাদিক সালাউদ্দিন। তিনি বলেন, প্রায়ই বাতাসের সাথে উড়ে এসে ট্রাকের বালু চোখে-মুখে পড়ে। এতে অনেক সময় দুর্ঘটনার সম্মুখীন হতে হয়।

উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) স্বজল মোল্লা বলেন, খোলা অবস্থায় বালু পরিবহন করা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। এ রকম কোনো অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত