কোনো অর্জনই সহজ নয়। তবে দুনিয়াতে অসম্ভব বলেও তো কিছুই নেই। অর্জন না হোক, কিন্তু তা নিয়ে ভাবতে তো সমস্যা নেই। হয়ে যেতেও তো পারে।
আপাতদৃষ্টিতে সহজ নয় মনে হলেও তেমন এক অর্জনের সামনে দাঁড়িয়ে লিভারপুল। অলরেডদের ‘অমরত্ব’ পাওয়ার জন্য পেরোতে হবে আর মাত্র ৮ ম্যাচের সাঁকো। কোয়াড্রপল অর্থাৎ এক মৌসুমে চার শিরোপার হাতছানির সামনে ইউর্গেন ক্লপের দল।
চ্যাম্পিয়নস লিগের সেমিফাইনালের প্রথম লেগে ভিয়ারিয়ালকে ২-০ গোলে হারিয়ে সেই পথে অনেকখানি এগিয়ে গেছে লিভারপুল। স্প্যানিশ ক্লাবটির বিপক্ষে ফিরতি লেগে ড্র করলে বা ১-০ গোলে হারলেও ফাইনাল নিশ্চিত হয়ে যাবে ইংলিশ জায়ান্টদের।
ঘরের মাঠ অ্যানফিল্ডে প্রথম লেগে ভিয়ারিয়ালের বিপক্ষে প্রথমার্ধ পর্যন্ত গোলের দেখা পায়নি ক্লপের দল। ৫৩তম মিনিটে ডিফেন্ডার পারভিস এস্তুপিনানের আত্মঘাতী গোলে এগিয়ে যায় লিভারপুল। এর দুই মিনিট পর মোহামেদ সালাহর অ্যাসিস্টে দলের ব্যবধান দ্বিগুণ করেন সাদিও মানে।
অলরেডরা যদি ভিয়ারিয়ালকে দ্বিতীয় লেগে রুখে দিতে পারে তবে ফাইনালে পেতে পারে লা লিগা জিততে যাওয়া রিয়াল মাদ্রিদ বা আরেক ইংলিশ জায়ান্ট ম্যানচেস্টার সিটিকে। যাদের সঙ্গে লিভারপুলের প্রতিদ্বন্দ্বিতা চলছে প্রিমিয়ার লিগ শিরোপা নিয়ে।
কোচ ক্লপ কি এই মৌসুমে অলরেডদের এনে দিতে পারবেন চ্যাম্পিয়নস লিগ ও প্রিমিয়ার লিগ? ইতোমধ্যে তারা কারাবো কাপ জিতেছে। এখন কোয়াড্রপল স্বপ্নদৌড়ে লিভারপুল।
এর আগে ইউরোপিয়ান ক্লাবগুলোর মধ্যে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড, বার্সেলোনা, ইন্টার মিলান, বায়ার্ন মিউনিখ, সেল্টিক, আয়াক্স ও পিএসভি ইউরোপিয়ান কাপ, লিগ শিরোপা ও ঘরোয়া কাপ মিলিয়ে ট্রেবল জিতেছে।
নিজেদের শো পিচে সব শিরোপা থাকলেও কখনো এক মৌসুমে কোয়াড্রপল ও ট্রেবল জেতা হয়নি লিভারপুলের। এবার কি তেমন ইতিহাস সৃষ্টি করতে পারবে তারা? তার জন্য লিভারপুলকে এফএ কাপের ফাইনালে জিততে হবে চেলসির বিপক্ষে।
ম্যানচেস্টার সিটিকে টপকে জিততে হবে প্রিমিয়ার লিগ। লিগে দুই দলের বাকি আছে ৫ ম্যাচ। যেখানে এক পয়েন্ট এগিয়ে শীর্ষে সিটিজেনরা। অন্যদিকে চ্যাম্পিয়নস লিগের ফাইনালে তো এক পা দিয়ে রেখেছে লিভারপুল।
