বৃহস্পতিবার, ২৫ জুলাই ২০২৪, ১০ শ্রাবণ ১৪৩১
দেশ রূপান্তর

কর্মীদের চাঙা রাখতে ৩০ মিনিট ঘুমের সুযোগ দিচ্ছে বেঙ্গালুরুর প্রতিষ্ঠান

আপডেট : ০৫ মে ২০২২, ০৯:৪২ পিএম

লাঞ্চ ব্রেকের পর অফিসে কাজ করতে করতে অনেকেরই ঘুমে চোখ বন্ধ হয়ে আসে। শরীর চাইছে ‘ব্রেক’বা একটি ন্যাপ, কিন্তু অফিস স্রেফ ‘কাজের’ জায়গা! বিশ্বের প্রতিটি অফিসেই কর্মীদের প্রশ্ন করলে এমন অভিজ্ঞতার কথা শোনা যাবে। এ সমস্যার পাকাপাকি সমাধান করেছে ভারতের বেঙ্গালুরুর একটি স্টার্ট আপ প্রতিষ্ঠান। সেখানে দুপুরের সেই মাহেন্দ্রক্ষণে কর্মীদের আধঘণ্টা ভাতঘুমের অধিকার স্বীকৃত হলো।

ওয়েকফিট সলিউশন নামের এই প্রতিষ্ঠানটি মানুষের ঘুমের সমস্যার সমাধানে কাজ করে। এ বার তারা মন দিয়েছে নিজেদের কর্মীদের ঘুম নিয়ে। দুপুরে ক্লান্ত কর্মীদের একটু ঝিমিয়ে নেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে সেই অফিসে।

ওয়েকফিট সলিউশনের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রত্যেক কর্মীর প্রতিদিন দুপুর ২টা থেকে আড়াইটা পর্যন্ত ঘুম দেওয়ার অধিকার সুনিশ্চিত করা হলো। এর নাম দেওয়া হয়েছে ‘অফিশিয়াল ন্যাপ টাইম’। সংস্থাটি ভবিষ্যতে শান্ত, অন্ধকার ঘরে সুন্দর ভাতঘুম দেওয়ার পরিবেশ তৈরিতেও মন দেবে বলে দাবি করা হয়েছে। যাতে ওই সময়ের পরিবেশ কর্মীদের ভালো ঘুমের উপযোগী রাখা যায়।

সংস্থার কর্মীদের যে ইমেইলটি পাঠানো হয়েছে, তাতে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় এবং নাসার গবেষণার উল্লেখ করা হয়েছে। যেখানে বলা হয়েছে, কাজের মাঝে সামান্য একটু জিরিয়ে নেওয়া কিংবা ঘুম, কাজের মানোন্নয়নে সরাসরি সহায়ক।

এই সিদ্ধান্তে সংস্থাটি রাতারাতি আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছে। টুইটারে কেউ বলছেন, এই পদক্ষেপ আমূল বদলে দেবে করপোরেট সংস্কৃতিকে, আবার কেউ সংস্থার সাহসিকতার প্রশংসা করছেন।

তবে এই প্রথম নয়, এর আগেও এমনই অদ্ভুত সিদ্ধান্ত নিয়ে সবাইকে চমকে দিয়েছিল ওয়েকফিট সলিউশন। একবার তারা টানা ১০০ দিন ধরে প্রতি রাতে ৯ ঘণ্টা ঘুমোনোর জন্য শিক্ষানবিশদের এক লাখ টাকা করে দিয়েছিল। সে ক্ষেত্রে শর্ত ছিল, ওই সংস্থার তৈরি তোষকে শুতে হবে শিক্ষানবিশদের। ঘুম বিশ্লেষণের বিভিন্ন আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যে তা খতিয়ে দেখা হতো। ১০০ দিন শেষে, প্রত্যেক শিক্ষানবিশ হাতে পান নগদ এক লাখ টাকা। সেই সময় এই ঘটনায় শোরগোল পড়ে গিয়েছিল।

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত আলোচিত