কুড়িগ্রামে ‘অতিরিক্ত মদপানে’ ২ জনের মৃত্যু

আপডেট : ১১ জুন ২০২২, ০৪:১১ পিএম

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে মদপানে মিজানুর রহমান (৪৫) নামের এক ব্যক্তির মৃত্যুর অভিযোগে পাওয়া গেছে।

অপরদিকে গত বৃহস্পতিবার (৯ জুন) একই গ্রামের ঘাতু মন্ডলের ছেলে শাহজামাল (৫০) নামে অপর এক ব্যক্তি অতিরিক্ত মদ পানে মৃত্যুবরণ করেছে বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এরা দুজনই পেশায় কসাই। পাগলাহাট বাজারের মাংস বিক্রেতা।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার শিলখুড়ি ইউনিয়নের উত্তরছাট গোপালপুর গ্রামের মৃত শফি উদ্দিন ব্যাপারীর ছেলে মিজানুর রহমান (৪৫) পাগলাহাট বাজারে শুক্রবার রাত ৮টার দিকে তার সঙ্গী তিলাই ইউনিয়নের পশ্চিম ছাট গোপালপুর গ্রামের নজরুল ইসলামের ছেলে এরশাদ হোসেনের (৩২) সঙ্গে অতিরিক্ত মদ্যপান করে তারা অসুস্থ হয়ে পড়েন।

পরে গুরুতর অসুস্থ মিজানুরকে চিকিৎসার জন্য কুড়িগ্রামে নেওয়ার পথে রাত ১২টার দিকে তার মৃত্যু হয়।

অপরজন এরশাদ (৩২) অসুস্থ হয়ে বাড়িতেই চিকিৎসা নিচ্ছেন।

মদপানে মৃত্যুর খবর পেয়ে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে শনিবার সকালে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ কুড়িগ্রামে মর্গে প্রেরণ করে।

স্থানীয়দের দাবি, সন্ধ্যা হলেই সীমান্তবর্তী এই পাগলাহাট বাজারে মাদকের হাট বসে। দূর-দুরান্ত থেকে মাদকসেবীরা এখানে এসে মাদক সেবন করে। তাদের ধারণা মাদকের সঙ্গে এখানে রং করার কাজে ব্যবহৃত মিথাইল অ্যালকোহল ও হোমিও চিকিৎসায় ব্যবহৃত রেকটিফাইড অ্যালকোহল সহজলভ্য। এই অ্যালকোহল পান করেই ওই দু‘ব্যক্তির মৃত্যু ঘটেছে।

শিলখুড়ি ইউপি চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান আসাদ বলেন, পরিবারের লোকজন মাদক পানের বিষয়টি অস্বীকার করছে। কিন্তু এলাকাবাসী অভিযোগ করছে অতিরিক্ত মদ্য পানেই তার মৃত্যু ঘটেছে। শুধু তাই নয়, এর আগে যিনি মারা গেছেন তার বিরুদ্ধেও একই অভিযোগ পাওয়া গেছে।

ভূরুঙ্গামারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি (তদন্ত) আজাহার আলী জানান, মদ পানে মিজানুর রহমানের মৃত্যুসহ গত বৃহস্পতিবার (৯ জুন) একই এলাকার শাহজামালের মৃত্যু হয়েছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছে। আহত ব্যক্তিসহ নিহত দুজনই মাদক সেবী ছিল বলে আমরা ধারণা করছি।

ওসি (তদন্ত) আজাহার আলী বলেন, স্থানীয় লোকজনের মৌখিক অভিযোগের ভিত্তিতে এবং সন্দেহের কারণে মরদেহের ময়নাতদন্তের জন্য কুড়িগ্রাম মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন অনুযায়ী পরবর্তীতে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত