নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানা ভবন বুড়িগঙ্গা নদীর ভাঙনের কবলে পড়েছে। ইতিমধ্যে নদীর স্রোতে থানার দক্ষিণ-পশ্চিম পাশের সীমানা ভেঙে চলে গেছে বুড়িগঙ্গার পেটে। গতকাল বুধবার ফতুল্লা মডেল থানার এ চিত্র দেখা যায়।
ফতুল্লা মডেল থানার ওসি শেখ রিজাউল হক দিপু ভাঙনের সত্যতা স্বীকার করে বলেন, থানার দক্ষিণ-পশ্চিম পাশটা নদীভাঙনের কবলে পড়েছে। যেকোনো সময় ভেঙে তলিয়ে যেতে পারে সীমানা বেড়া, বসার স্থানসহ বাগান এমনকি ডাইনিং লাউঞ্জ।
তিনি আরও জানান, ভাঙনরোধসহ মজবুত সীমান্ত তৈরিতে ইতিমধ্যে পুলিশ হেডকোয়ার্টারে তা সমাধানে লিখিতভাবে জানিয়েছেন।
সরেজমিনে দেখা যায়, বুড়িগঙ্গার স্রোতে থানার দক্ষিণ-পশ্চিম দিকের দেয়াল এবং বড় বড় কাঠ দিয়ে তৈরি বাঁধ ভেঙে গেছে। আর দু-এক ফুট ভাঙলেই থানার সীমানা ভেঙে যাবে। এমনকি পুলিশ সদস্যদের জন্য তৈরি করা বুড়িগঙ্গা ডাইনিং লাউঞ্জ বা হলও ভেঙে যেতে পারে।
সংশ্লিষ্টরা জানান, দু-বছর আগে প্রথমে নদীর স্রোতে অল্প পরিমাণ থানার দেয়াল ভাঙলেও পরে আস্তে আস্তে পুরো দেয়াল ভেঙে যায়। ফলে সেই ভাঙনরোধে প্রথমে বালুর বস্তা ফেলে এবং বড় বড় কাঠের টুকরো দিয়ে বাঁধ তৈরি করেও ভাঙনরোধ করা যাচ্ছে না। যেকোনো সময় বড় ধরনের ভাঙনের কবলে পড়ে ঘটতে পারে বড় ধরনের দুর্ঘটনা।
অপরদিকে, ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় মধুমতি নদীর ভাঙনের কবলে পড়েছে গোপালপুর ইউনিয়নের বাজড়া চরপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভবন। গত মঙ্গলবার দুপুরে সেখানে আকস্মিকভাবে নদীতীরের প্রায় ২০ কিলোমিটার পাকা সড়কে ধস দেখা যায়। নদীটি এখন স্কুল ভবনটির কিনার পর্যন্ত চলে এসেছে। বাজড়া চরপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ফরিদা ইয়াসমিন বলেন, মঙ্গলবার দুপুরে নদীর তীর ভাঙনে স্কুল ভবন কেঁপে ওঠে।
ফরিদপুর পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী পার্থ প্রতিম সাহা বলেন, মধুখালি ও আলফাডাঙ্গা উপজেলায় মধুমতীর ভাঙনের মাত্রা একটু বেশি।
