স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, করোনার টিকার প্রথম ও দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া বন্ধ হবে শিগগিরই। যারা এখনো প্রথম ও দ্বিতীয় ডোজ নেননি তারা দ্রুত টিকা নিয়ে নিন।
তিনি বলেন, দেশে করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে। মৃত্যুর হার শূন্যে নেমে এসেছে, সংক্রমণও ৪ শতাংশের নিচে। যারা এখন মৃত্যুবরণ করছেন তারা করোনার টিকা নেয়নি। তাই আপনাদের প্রতি অনুরোধ যারা এখনও টিকা নেননি তারা দ্রুত টিকা নিয়ে নিন।
শনিবার (১৩ আগস্ট) দুপুরে মানিকগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নবজাতকের বিশেষায়িত সেবা কেন্দ্রের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনকালে তিনি এসব কথা বলেন।
জাহিদ মালেক বলেন, ৫ থেকে ১১ বছর বয়সী শিশুদের করোনার টিকা প্রদান পরীক্ষামূলকভাবে শুরু করেছি। আগামী ২৫ তারিখ থেকে পুরোদমে সিটি করপোরেশনগুলোতে টিকাদান শুরু হবে। পর্যায়ক্রমে সারা দেশেই দেওয়া হবে। বিশেষ করে স্কুলগুলোতে টিকা দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। তবে কেউ নিবন্ধন ছাড়া টিকা নিতে পারবে না।
তিনি বলেন, অপরিপক্ক ও নানা রোগে আক্রান্ত হয়ে অথবা অল্প ওজনে যেসব নবজাতক জন্মগ্রহণ করে তাদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা লাগে সেই ব্যবস্থাটা হলো স্ক্যানো। শিশুদের এখানে রাখা হয় এতে করে তাদের জীবন রক্ষা হয়। সেই প্রেক্ষিতেই মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতালে ১৫ শয্যা বিশিষ্ট নবজাতকের বিশেষায়িত সেবা কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, আমাদের দেশে প্রতি হাজারে প্রায় ৩০/৩২ জন শিশু মৃত্যুবরণ করে। এসডিজি অর্জন করতে হলে শিশু মৃত্যুর হার ১২ তে নামিয়ে আনতে হবে, সেই লক্ষ্যে এই ১৫ বেডের স্পেশাল কেয়ার নিউবর্ন ইউনিট (স্ক্যানো ইউনিট) স্থাপন করা হলো। সেই ধারাবাহিকতায় সারা দেশে প্রায় ৪০/৫০টি হাসপাতালে এই বিশেষায়িত সেবা কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে।
এসময় জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ আব্দুল লতিফ, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ গোলাম আজাদ খান, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ জেলার বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। পরে হাসপাতাল মিলনায়তনে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
