জনগণ সিদ্ধান্ত নেবে উন্নয়নের ধারায় থাকবে নাকি সন্ত্রাসের যুগে ফিরবে(ভিডিও)

আপডেট : ২১ আগস্ট ২০২২, ১২:৪৪ পিএম

বিএনপির সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, তারা (বিএনপি) অগ্নিসন্ত্রাস করে মানুষ মেরেছে। এখন তাদের সঙ্গে কথা বলতে হবে। নির্বাচনে আনতে হবে। কেন? দেশে কি আর মানুষ নেই। দেশের মানুষ সিদ্ধান্ত নেবে উন্নয়নের ধারায় থাকবে নাকি সন্ত্রাসের যুগে ফিরবে।

রোববার (২১ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টায় রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে আয়োজিত এক সভায় তিনি এসব কথা বলেন। ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার ১৮তম বার্ষিকী উপলক্ষে এ সভা হয়।

তৎকালীন সরকারের প্রধানমন্ত্রী বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়ার বক্তব্যের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, খালেদা জিয়ার বক্তব্যগুলো একটু অনুসরণ করেন। কোটালিপাড়ায় বোমা পুতে রেখেছিলো, তখন খালেদা জিয়া বলেছিলো, আওয়ামী লীগ একশ বছরেও ক্ষমতায় আসতে পারবে না। আবার বলেছিলো শেখ হাসিনার ক্ষমতায় আসা তো দূরের কথা বিরোধীদলও হতে পারবে না। কারণ তাদের উদ্দেশ্যই ছিলো আমাকে মেরে ফেলা। ২১ আগস্ট তৎকালীন সরকারের সংশ্লিষ্টতা না থাকলে প্রকাশ্যে এত গ্রেনেড হামলা সম্ভব ছিল না। আর এই হামলার মূল লক্ষ্য ছিল আমাকে হত্যা করা।

তিনি বলেন, বিএনপি অগ্নিসন্ত্রাস করে মানুষ মেরেছে, এটাই তাদের উদ্দেশ্য। এখন তাদের সঙ্গে কথা বলতে হবে। নির্বাচনে আনতে হবে। কেন? দেশে কি আর মানুষ নেই। দেশের মানুষ সিদ্ধান্ত নেবে তারা সেই সন্ত্রাসের সময়ে ফিরে যাবে নাকি উন্নয়নের ধারার সঙ্গে থাকবে।

সরকার প্রধান বলেন, আওয়ামী লীগকে নেতৃত্ব শূন্য করতেই বিএনপি-জামায়াত তথা চার দলীয় জোট সরকার রাষ্টযন্ত্র ব্যবহার করে নৃশংসতম এই গ্রেনেড হামলা চালায়। যারা গণতন্ত্রের কথা বলে, তাহলে এটা কিসের গণতন্ত্র। একটা প্রকাশ্য জনসভায় কীভাবে আর্জেস গ্রেনেড মারতে পারে?

শেখ হাসিনা বলেন, নির্বাচন এলেই বিএনপির নানা ষড়যন্ত্র শুরু হয়। ২০০১ সালের কিছু সুশীল ও দুটি দেশের দূতাবাস কর্মীরা ষড়যন্ত্র করে আওয়ামী লীগকে হারিয়ে দিয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজকে সারাবিশ্বে জ্বালানি তেলের অভাব, বিদ্যুতের অভাব, মুদ্রাস্ফীতি। আমরা তেলের দাম বাড়াতে বাধ্য হয়েছি। বিদ্যুতের ব্যবহার আমাদের সীমিত করতে হয়েছে। সার উৎপাদন অব্যাহত রেখেছি। গ্যাস উৎপাদন এবং সার্ভে অব্যাহত রেখেছি। আমরা সবরকম চেষ্টা করে যাচ্ছি। এক কোটি লোক রেশনের আওতায় আসছে। তাদেরকে ৩০ টাকা কেজি ধরে চাল, ডাল, চিনি ও তেল দেওয়া হবে। এছাড়া আমরা মাত্র ১৫ টাকা কেজি দরে ৩৫ লাখ মানুষকে চাল দেবো।

তিনি বলেন, আমরা চাই না দেশের মানুষ কষ্ট পাক বা খাদ্যে কষ্ট পাক। রাজনীতি করি তাদের জন্য। হয়তো আল্লাহ বাঁচিয়ে রেখেছেন তাদের কল্যাণের কারণে। রাখে আল্লাহ মারে কে? দেশের এমন কোনো জায়গা নাই মৃত্যুর মুখোমুখি হয়েছি। তারপরও ফিরে এসেছি মানুষের কল্যাণ করার জন্য। যতক্ষণ নিঃশ্বাস আছে মানুষের জন্য কাজ করে যাবো।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত