তদন্তে ৫ সদস্যের কমিটি গঠন

স্বাস্থ্য কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ২২ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

আপডেট : ২৪ আগস্ট ২০২২, ১২:১৬ এএম

টাকা আত্মসাতের অভিযোগে নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (ইউএইচএফপিও) ডা. অনিক বিশ্বাসের বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

কভিড-১৯-এর টিকাদান কর্মসূচির ২৭ জন টিকাদানকর্মী ও স্বেচ্ছাসেবীদের অন্তত ২২ লাখ টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে বেনামে পাঠানো অভিযোগের ভিত্তিতে গঠন করা হয়েছে এ তদন্ত কমিটি। অভিযোগে বলা হয়েছে, অধীনস্থ কয়েকজন কর্মকর্তা-কর্মচারীর সঙ্গে মিলে ডা. অনিক বিশ্বাস ২২ লাখেরও বেশি টাকা আত্মসাৎ করেছেন।

জানা গেছে, অর্থ আত্মসাতের বিষয়টি উল্লেখসহ পরিচয় প্রকাশ না করে ডাকযোগে গত ১৫ জুলাই স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগী স্বাস্থ্যকর্মীরা। একই অভিযোগ জেলা প্রশাসক, জেলা সিভিল সার্জন বরাবর পাঠানো হয়।

ওই অভিযোগে স্বাস্থ্যকর্মীরা উল্লেখ করেন, ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারি মাস থেকে রুটিন করে উপজেলায় এ স্বাস্থ্যকর্মীরাই টিকা দিচ্ছেন। এর মধ্যে ২০২১ সালের ১ থেকে ১৭ নভেম্বরের মধ্যে চার দিন এবং চলতি বছর ১ জানুয়ারি থেকে ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ১৬ দিনের হিসাবের টাকা পেয়েছেন। এরপর আর কোনো টাকা পাননি স্বাস্থ্যকর্মীরা।

টাকাগুলো উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. অনিক বিশ্বাস, স্বাস্থ্য সহকারী এমটি ইপিআই নাজিম উদ্দিন এবং হেড ক্লার্ক জাহাঙ্গীর বাদশা ও স্বাস্থ্য পরিদর্শক ইসমাইল মিলে আত্মসাৎ করেছেন।

এছাড়া গত ১১ মাস যাবৎ অফিস টাইমের পর টাকার বিনিময়ে করোনার ভ্যাকসিন দিয়ে যাচ্ছেন এ কর্মকর্তারা। শিশু টিকার কার্ড ও শিশুদের টিকা এনজিওদের কাছে বিক্রি করেন দেন তারা।

নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. অনিক বিশ্বাস এ বিষয়ে বলেন, ‘যেসব টাকা এসেছে সবই দেওয়া হয়েছে। আত্মসাতের যে অভিযোগ করা হয়েছে তা সত্য নয়।’

গতকাল মঙ্গলবার নারায়ণগঞ্জের সিভিল সার্জন ডা. মুশিউর রহমান এ বিষয়ে বলেন, ‘অভিযোগের তদন্তে পাঁচ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে।’

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত