‘পুলিশকে দফায় দফায় ঘুষ দিয়েও’ নিস্তার নেই, অভিযোগ শুক্কুরের

আপডেট : ২৫ আগস্ট ২০২২, ০৯:১৩ পিএম

কক্সবাজারে জমি-সংক্রান্ত মামলায় ‘পুলিশকে দফায় দফায় ঘুষ দিয়েও’ নিস্তার মিলছে না বলে অভিযোগ করেছেন আব্দুস শুক্কুরের। পুলিশি হয়রানি ও গ্রেপ্তার আতঙ্কে তার দিন কাটছে বলে অভিযোগ। আব্দুস শুক্কুর সংবাদ সম্মেলন করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

বৃহস্পতিবার (২৫ আগস্ট) দুপুরে কক্সবাজারের ঝিলংজা ইউনিয়নের জানারঘোনা এলাকায় সংবাদ সম্মেলন করেন তিনি। উক্ত সংবাদ সম্মেলনে আব্দুল করিম, আব্দুল আজিজ, রেজিয়া আকতার, আব্দুর রহিম, মোহনা আকতার ও রেজাউল করিমসহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে আব্দুস শুক্কর অভিযোগ করেন, কক্সবাজার সদর উপজেলার ঝিলংজা মৌজার ১৪ শতক জমির পৈতৃক সূত্রে মালিক তিনি। বর্তমানে জমিটি তার বসতবাড়ি। উক্ত এলাকায় জমির মূল্যবৃদ্ধি পাওয়ায় এলাকার  মৃত মোজাফ্ফর আহমেদের ছেলে সৈয়দ উল্লাহর লোলুপ দৃষ্টি পড়ে। জমির ক্রয়সূত্রে মালিক দাবি করে তিনি আব্দুস শুক্কুর ও তার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে মামলা করেন। মামলাটি আদালতে বিচারাধীন। উক্ত মামলাকে পুঁজি করে কক্সবাজার সদর মডেল থানার পুলিশের এসআই ইকবাল আব্দুস শুক্কুরকে ধরে নিয়ে যান। পরে শহরের কলাতলী মোড়ে নিয়ে প্রথমে বিকাশ এবং পরে নগদে ১০ হাজার টাকা ঘুষ নেন। একইভাবে দফায় দফায় ৩৫ হাজার টাকা ঘুষ গ্রহণ করেন এসআই ইকবাল। এরপরও ঘুষ দাবি করায় এসআই ইকবালের বিরুদ্ধে কক্সবাজার আদালতে অভিযোগ দায়ের করেন। আদালত অভিযোগটি আমলে নিয়ে কক্সবাজার জেলা পুলিশ সুপারকে প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ দেন। পুলিশ সুপার কার্যালয়ে প্রতিবেদনটি এখনো আদালতে পাঠানোর প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

আব্দুস শুক্কুর আরও অভিযোগ করেন, আদালতে পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ করায় ক্ষুব্ধ হয়ে এসআই ইকবালের নেতৃত্বে একদল পুলিশ নানাভাবে হয়রানি করছে। বর্তমানে তিনি ও তার পরিবার গ্রেপ্তার আতঙ্কে রয়েছে।

এ ব্যাপারে বক্তব্য জানতে অভিযুক্ত পুলিশের এসআই ইকবালের ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে বন্ধ পাওয়া যায়। এ প্রতিবেদন তৈরির সময় তার বিষয়ে থানা থেকে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

তবে মামলার বর্তমান তদন্ত কর্মকর্তা এসআই আল আমিন জানান, মামলার বাদী সৈয়দ উল্লাহ ৯৯৯ এ ফোন দিলে তিনি কয়েকবার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। 

মামলার বাদী সৈয়দ উল্লাহ জানান, ক্রয়সূত্রে জমিটির মালিক আমি। কিন্তু আব্দুস শুক্কুর জমির ওপর দালান নির্মাণ করায় মামলা দায়ের করি। আমি পুলিশকে ম্যানেজ করিনি।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত