একজন ফ্যাশান সেন্সের জন্য প্রায়ই খবরের শিরোনামে থাকেন। অন্যজন 'কাঁদাবাদাম' গানের তালে নেচে পরিচিতি পেয়েছেন। প্রথমজন উরফি জাভেদ আর দ্বিতীয়জন অঞ্জলি অরোরা। কিছুদিন আগে এমএমএস-কাণ্ডে নাম জড়িয়েছিল অঞ্জলির। সোশাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছিল অঞ্জলির ব্যক্তিগত মুহূর্তের ভিডিও। বিষয়টি নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখোমুখি হতেই কেঁদে ফেলেন অঞ্জলি।
এমএমএস-কাণ্ডে অঞ্জলি বলেছিলেন, 'আমি জানি না, লোকজন এসব কী করছে। আমাকে তো লোকজনই পরিচিতি দিয়েছেন। তাহলে তারাই কেন আমার সম্পর্কে এভাবে কুৎসা রটাচ্ছেন।' অঞ্জলির কথায়, 'আমারও তো পরিবার আছে, ছোট ভাই আছে। তারাও তো আমার ভিডিও দেখেন, আমি যখন এগুলো দেখি, আমার প্রশ্ন জাগে, আমি যখন আদপে এমন কিছু করিনি, তাহলে কেন এ ধরনের বিকৃত, ভুয়া ভিডিও বানিয়ে ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে? কেউ বা কারা আমার বদনাম করার চেষ্টা করছেন।'
সম্প্রতি এই ঘটনায় অঞ্জলির সমর্থনে এগিয়ে এসেছেন উরফি। একটি রেডিও চ্যানেলে এ বিষয়ে কথা বলেন তিনি।
উরফি বলেন, 'ধরেও নিলাম ভিডিওটা ওর, তাহলেও তো ও চায়নি যে সেটা প্রকাশ্যে আসুক। তাই এ ক্ষেত্রেও ও অপরাধের শিকার। আপনারা কি সেটা বুঝতে পারছেন না? যদি অঞ্জলি এমনটা করেও থাকেন, আর সে সময় ভিডিও রেকর্ড করা হয়। তারপরেও অঞ্জলি কিংবা যেকোনো মেয়েই চাইবে না বাইরের লোকজন এটা দেখুক। আর সেই ভিডিও যদি ছড়িয়ে পড়ে, তাহলে বুঝতে হবে ও অন্যায়ের শিকার। আজ ওই ভিডিওটা প্রকাশ্যে এসেছে বলে অঞ্জলিকে অনেক কিছুর মধ্যে দিয়ে যেতে হয়েছে। এ ধরনের পরিস্থিতি সামাল দেওয়া ভীষণই কঠিন। আমি বেশ বুঝতে পারছি, এর জন্য সোশাল মিডিয়ায় কি ধরনের আক্রমণের মুখে পড়তে হয়েছে অঞ্জলিকে। এ ক্ষেত্রে বাস্তবেই সকলের সামনে নিজেকে নগ্ন মনে হতে থাকে।' সূত্র : জিনিউজ
