শুরুতেই শ্রীলংকাকে চেপে ধরেছে পাকিস্তান

আপডেট : ১১ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০৮:৪১ পিএম

টস জয় অনেক বড় একটা সুবিধা। এশিয়া কাপের বেশিরভাগ ম্যাচেই তা কাজে দিয়েছে। যারাই টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমেছে, তারা শুরুতেই ব্যাকফুটে চলে গিয়েছে। টুর্নামেন্টের ফাইনালেও তার ব্যতিক্রম হলো না। টস জিতে ফিল্ডিংয়ে নামা পাকিস্তান পাওয়ার প্লেতেই চেপে ধরেছে শ্রীলংকাকে। 

ফাইনালের আগে শ্রীলংকার বিপক্ষে গা গরমের ম্যাচে নাসিম শাহকে বিশ্রাম দিয়েছিল পাকিস্তান। তরতাজা এই পেসার তাই ইনিংসের তৃতীয় বলেই ঘণ্টায় ১৪২ কিলোমিটার গতির বল ছুঁড়লেন। যা কুশল মেন্ডিস সামলাতে পারেননি, এলোমেলো হয়ে যায় তার স্টাম্প। টুর্নামেন্টে শ্রীলংকার অন্যতম সেরা ব্যাটার ফিরেন গোল্ডেন ডাক পেয়ে।

ফাইনালের আগে দলের ৪৫ শতাংশ রানই এসেছিল উদ্বোধনী জুটি থেকে। যেখানে কুশল মেন্ডিসের সঙ্গী ছিলেন পাথুম নিশাংকা। তাই শুরুতেই উইকেট হারানোটা লংকানদের জন্য বড় ধাক্কা। সে ধাক্কা সামলে নেওয়ার চেষ্টা অবশ্য চালাচ্ছিলেন ধনানঞ্জয়া ডি সিলভা ও নিশাংকা। পাকিস্তানের গতির জবাব দারুণ টাইমিংয়ে দিচ্ছিলেন তারা। মোহাম্মদ হাসনাইনের ওভারে দুই চার মারেন ধনঞ্জয়া ডি সিলভা, দুটিই কাভার দিয়ে। পরের ওভারে নাসিম শাহকে কাভার দিয়ে আরেকটি চার মারেন নিশাংকা। 

তবে পাক বোলারদের গতির মোকাবেলা করতে গিয়ে এক পর্যায়ে মুখ থুবড়ে পড়েন নিশাংকা। হারিস রউফের বলটা ঠিক স্লটে না থাকলেও আক্রমণাত্মক হতে গিয়ে তুলে মেরেছিলেন তিনি, তবে ঠিকঠাক টাইমিং হয়নি। মিড অফ থেকে পেছনে ছুটে গিয়ে ক্যাচ নিয়েছেন বাবর আজম। নিজের প্রথম ওভার করতে এসেই সফল হন রউফ। নিশাংকা ফিরেন ১১ বলে ৮ রান করে।

দুই ওপেনারকে হারানোর ধাক্কা সামলে ওঠার আগেই তৃতীয় উইকেটের পতন হয় লংকানদের। হারিস রউফের বলের গতিতে যেন দিশেহারা গুনাথিলাকা। অফ স্টাম্পে একটু বাইরে পিচ করে বল ঢুকেছিল ভেতরের দিকে, উড়ে গেল অফ স্টাম্প। ঘণ্টায় ১৫১ কিলোমিটার গতির ডেলিভারিটির কোনো জবাবই ছিল না বাঁহাতি দানুশকা গুনাতিলাকার কাছে। ৪ বলে ১ রান করে ফিরে গেলেন তিনি।

এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত পাওয়ার প্লের ৬ ওভার শেষে ৪২ রান তুলতে পেরেছে শ্রীলংকা। পাকিস্তান শিকার করেছে তিনটি উইকেট।

 

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত