সাতক্ষীরার আশাশুনিতে স্বামী গোলাম মোস্তফার বিরুদ্ধে স্ত্রী শামসুন্নাহারকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে।
সোমবার ভোরে আশাশুনির প্রতাপনগর গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর থেকে স্বামী পলাতক ছিলেন। শামসুন্নাহার (৪৫) তিন সন্তানের জননী।
গোলাম মোস্তফার ভাই নুরুল ইসলাম জানান, গোলাম মোস্তফা মানসিকভাবে কিছুটা অপ্রকৃতিস্থ। প্রত্যেক মাসে একবার তার ইনজেকশন দেওয়া লাগে। না দিলে পাগলামি বেড়ে যায়। সম্প্রতি তার পাগলামি বেড়ে গিয়েছিল। সোমবার রাতে তারা স্বামী-স্ত্রী একসঙ্গে ঘুমিয়ে পড়েছিলেন।
‘ভোর রাতে শামসুন্নাহারের গোঙানির শব্দ শুনে আমরা তাদের ঘরের পাশে গিয়ে দরজা বন্ধ দেখতে পাই। ধাক্কা-ধাক্কির একপর্যায়ে গোলাম মোস্তফা দরজার ছিটকিনি খুলে পালিয়ে যায়। ভেতরে গিয়ে শামসুন্নাহারকে মুমূর্ষু অবস্থায় দেখতে পেয়ে হাসপাতালে নেওয়ার জন্য ভ্যান ডাকি। ততক্ষণে শামসুন্নাহার মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন।
পিটিয়ে ও শ্বাসরোধ করে তাকে হত্যা করা হয়েছে বলে ধারণা করেন গোলাম মোস্তফার ভাই নুরুল ইসলাম।
আশাশুনি থানার ওসি মোমিনুর রহমান জানান, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের পর মৃত্যুর কারণ জানা যাবে।
পলাতক স্বামীকে শ্যামনগর থেকে আটক করা হয়েছে বলে জানান ওসি।
