শুক্রবার (৭ অক্টোবর) দুপুরে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া সফর শেষে ঢাকা ফেরার পথে শিবচরের দত্তপাড়া আসেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। এখানে রাত ৮টার দিকে তিনি জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূর-ই-আলম চৌধুরীর পৈতৃক বাড়িতে আসেন। রাষ্ট্রপতির আগমনকে ঘিরে সারা দিনই উৎসবমুখোর ছিল দত্তপাড়া এলাকা।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, রাতে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ চিফ হুইপ নূর-ই-আলম চৌধুরী ও সংসদ সদস্য মুজিবুর রহমান নিক্সন চৌধুরীর পিতা মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক স্বাধীনতা পদকপ্রাপ্ত মরহুম ইলিয়াস আহমেদ চৌধুরীর (দাদা ভাই) কবর জিয়ারত করেন। এরপর চিফ হুইপের বাড়িতে রাষ্ট্রপতি ও পরিবারের সদস্যদের অভ্যর্থনা জানান পরিবারের সদস্যরা।
রাত ১০টার দিক রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ইলিয়াস আহমেদ চৌধুরী ডিগ্রি কলেজ ও দৃষ্টিনন্দন মসজিদ পরিদর্শন করেন।
রাত ৮টা থেকে প্রায় আড়াই ঘণ্টা অবস্থান করে রাত সাড়ে ১০টার দিক রাষ্ট্রপতি সড়কপথে পদ্মা সেতু হয়ে ঢাকা রওনা দেন।
এদিকে রাষ্ট্রপতির আগমনকে কেন্দ্র করে কঠোর নিরাপত্তার চাদরের মাঝেও রাষ্ট্রপতি আসার খবরে বেষ্টনীর আশপাশের এলাকায় ও এক্সপ্রেসওয়ের বিভিন্ন স্থানে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের অসংখ্য নেতা কর্মীরা গভীর রাত পর্যন্ত অবস্থান নেয়। নেতা কর্মীদের হাতে ছিল প্লাকার্ড ফেস্টুন। রাষ্ট্রপতির আগমনকে ঘিরে ছিল সাজ সাজ রব। এলাকার রাস্তাঘাটসহ বিভিন্ন স্থাপনা সাজে নতুন সাজে। নির্মাণ করা হয় তোরণ।
দত্তপাড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মাস্টার মতিউর রহমান জানান, ‘রাষ্ট্রপতির শুভেচ্ছা জানাতে আমরা বিকেল থেকে মহাসড়কের দুই পাশে অবস্থান করি।রাত ৮ টার দিকে তিনি আমাদের এলাকায় আসেন। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শৈশবের স্মৃতি বিজড়িত ঐতিহাসিক স্মৃতিবিজড়িত দত্তপাড়া এলাকার মানুষ অনেক আনন্দিত।তার আগমনে আমরা গর্বিত।‘
মাদারীপুর সহকারী পুলিশ সুপার (শিবচর সার্কেল) মো.আনিসুর রহমান বলেন, রাষ্ট্রপতির আগমনকে ঘিরে গত কয়েক দিন ধরেই এলাকায় পুলিশ র্যাব ও সেনাবাহিনীর টহল জোরদার ছিল। রাত সাড়ে দশটার দিকে রাষ্ট্রপতি ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দেন। সার্বক্ষণিক মোতায়েন ছিল পুলিশ ও র্যাবসহ বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
