দুহাতে লিখছেন কবিতা আর গান। হ্যাঁ, বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বেতারের নিবন্ধিত গীতিকার ফরিদা ফারহানার কথা বলা হচ্ছে। গান লিখছেন প্রায় দুই দশক ধরে। তবে ২০১১ সালে প্রথম তার গান কারো গলায় ওঠে। সে গানের শিরোনাম ছিল 'মেঘে ঢাকা রোদ্দুর'। গানটিতে কণ্ঠ দিয়েছিলেন আরশী জোয়াদ্দার আর সুর ও সংগীত করেছিলেন যথাক্রমে বেলার খান ও এফ এ সুমন।
কবিতা? 'হ্যাঁ, আমার অন্যতম ভালোবাসার জায়গা', বললেন ফরিদা ফারহানা। 'কবে লেখা শুরু করেছি মনে নেই তবে লিখছি, অক্লান্তভাবে। আমি ইনফ্যাক্ট গান ও কবিতা দুটোতেই কমফোর্ট। তবে কবিতাই আমার প্রথম প্রেম।'
২০১০ সালে প্রথম কবিতার বই প্রকাশ পায় ফরিদা ফারহানার। শিরোনাম ছিল 'স্বপ্ন এবং ভালোবাসা'। এর পর আরো পাঁচটি কবিতাগ্রন্থ প্রকাশ পেয়েছে তার। এ ছাড়াও আরো বিভিন্নভাবে অনেক কবিতা প্রকাশ হয়েছে তার।
গান লিখতে কার উৎসাহ সবচেয়ে বেশি পেয়েছেন? এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি জানান, আমি সবচেয়ে বেশি ইন্সপায়ার্ড প্রয়াত সংগীত পরিচালক ফরিদ আহমেদ এর দ্বারা। তিনি একরকম আমাকে দিয়ে গান লিখিয়ে নিয়েছেন। তার স্নেহ এবং আশীর্বাদ আমাকে একজন গীতিকার হয়ে উঠতে সাহায্য করেছে- এ কথা কোনো কিছু না ভেবেই বলা যায়।

'আমি শুধু গান আর কবিতা দিয়ে মানুষের মাঝে বেঁচে থাকতে চাই'
'আমি আজীবন এই গুণী মানুষটির কাছে কৃতজ্ঞ'- বললেন সরকারি স্বাস্থ্য বিভাগের এই কর্মী।
তার লেখার তালিকায় শ্রোতাদের মুখে মুখে ফেরা অনেক জনপ্রিয় গান থাকলেও খুব বেশি গান লেখার সুযোগ হয়নি। এর অন্যতম কারণ ব্যস্ততা। ২০১০ সালে বাংলাদেশ টেলিভিশনে নিবন্ধিত হন তিনি। আর বাংলাদেশ বেতারে নিবন্ধিত হন ২০২০ সালে। বিভিন্ন মাধ্যমে তার লেখা গানের সংখ্যা ৩৫টির বেশি। আর এ সংখ্যা নিয়ে সন্তুষ্ট ফরিদা ফারহানা। তিনি বলেন, 'আমি অল্প এবং ভালো কাজ করতে চাই। আমি চাই, মানুষ আমাকে কাজের মধ্য দিয়ে জানুক, চিনুক। আমি আরো অনেক গান লিখতে চাই। আমি শুধু গান আর কবিতা দিয়ে মানুষের মাঝে বেঁচে থাকতে চাই।'
