আচমকা টুইটার ছাড়লেন করণ জোহর। তার প্রোফাইল যেতেই দেখা যাচ্ছে একটি লেখা, 'এই অ্যাকাউন্টটির অস্তিত্ব নেই।' কিন্তু কেন? সেই সম্পর্কে এখনো নিশ্চিতভাবে কিছু জানা যায়নি। তবে টুইটার ছাড়ার আগে করণ জানিয়েছিলেন, জীবনে পজিটিভ এনার্জি চান তিনি। সে কারণেই এ পদক্ষেপ।
সমালোচনা বহুদিন ধরেই করণের জীবনের অঙ্গ। তা আরো বেড়ে যায় সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যুর পর। 'নেপোটিজম' অর্থাৎ স্বজনপোষণের অভিযোগ ওঠে বলিউডের প্রযোজক-পরিচালকের বিরুদ্ধে। করণকে নানা বাক্যবাণে বিদ্ধ করেন অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউতও। তারপরও একাধিকবার করণের সিনেমা, 'কফি উইথ করণ' শো বয়কটের ডাক দেওয়া হয়। কার্তিক আরিয়ান যখন 'দোস্তানা ২' সিনেমা ছাড়েন, তার জন্যও করণকে দায়ী করা হয়েছিল। এমনকি, 'বিগ বস এটিটি'র সঞ্চালক হিসেবেও তাকে অনেকে মেনে নেননি।
কিন্তু এত কিছুর পরও কখনো সোশাল মিডিয়া ছাড়েননি করণ। বরং সোশাল মিডিয়ায় বেশ সক্রিয় থেকেছেন তিনি। এখনো অবশ্য শুধু টুইটার ছাড়ার কথাই ঘোষণা করেছেন প্রযোজক-পরিচালক। এখনো পর্যন্ত তার ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম প্রোফাইলটি বহাল তবিয়তে রয়েছে। 'জীবনে পজিটিভ এনার্জির জন্য জায়গা তৈরি করছি। এটি তার প্রথম ধাপ। গুডবাই টুইটার', এ কথা তিনি শেষ বার্তায় লিখেছিলেন।
দক্ষিণী তারকা বিজয় দেবেরকোন্ডাকে নিয়ে তৈরি 'লাইগার' বক্স অফিসে চূড়ান্ত ব্যর্থ। কিন্তু তার পরের ছবি 'ব্রহ্মাস্ত্র' তুমুল হিট। তাহলে তো প্রযোজক হিসেবে করণের তেমন মনখারাপ হওয়ার কথা নয় যে টুইটার ছাড়বেন। এর নেপথ্যে আসলে কী কারণ থাকতে পারে? এ প্রশ্ন উঠছে। অনেকে মনে করছেন, এটি করণের নতুন কোনো ঘোষণার প্রস্তুতি হতে পারে। কিছুদিন আগেও 'কফি উইথ করণ' শোয়ের নতুন সিজনের ঘোষণা করতে গিয়ে এমনই কাণ্ড ঘটিয়েছিলেন তিনি। বলেছিলেন, আর 'কফি উইথ করণ'-এর সঞ্চালনা করবেন না। কিন্তু অল্প সময়ের মধ্যেই আসল বিষয় জানা যায়। এ ক্ষেত্রেও তেমন কিছু হতেই পারে বলে মনে করা হচ্ছে। সূত্র : দ্য টাইমস অব ইন্ডিয়া
