বিএসএমএমইউয়ে সেমিনারে বক্তরা

আর্থ্রাইটিস নিরাময়ে শরীরচর্চা খুবই গুরুত্বপূর্ণ

আপডেট : ১৩ অক্টোবর ২০২২, ০২:০৫ এএম

শরীরচর্চা করলে এবং অস্বাভাবিক কাজ ও ক্ষতিকর খাবার পরিহার করা গেলে আর্থ্রাইটিস রোগ এড়ানো সম্ভব বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা। তারা বলেছেন, রোগটি নিরাময়ে শরীরচর্চা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। পাশাপাশি যেসব খাবার ও কাজ শরীরের জন্য ক্ষতিকর, সেগুলো পরিহার করলে এ রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। বিশেষ করে ধূমপান, বেশি উদ্বিগ্ন হওয়া ও চিনি বেশি খাওয়া যাবে না। এসব বিষয়ে নিজেদের সচেতন রাখলে আর্থ্রাইটিস এড়ানো যাবে।

গতকাল বুধবার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) অনুষ্ঠিত এক সেমিনারে চিকিৎসকরা এসব কথা বলেন। বিশ্ব আর্থ্রাইটিস দিবস উপলক্ষে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়েছিল। এ বছর দিবসটির প্রতিপাদ্য ছিল ‘ইটস ইন ইয়োর হ্যান্ড, টেক অ্যাকশন’, অর্থাৎ ‘চিকিৎসা আপনার হাতে, ব্যবস্থা নিন’। দিবসটি উপলক্ষে বাংলাদেশ রিউমাটোলজি সোসাইটি ও ফিজিক্যাল মেডিসিন অ্যান্ড রিহ্যাবিলিটেশন বিভাগ পৃথক কর্মসূচি পালন করে। বিভাগ দুটি পৃথক শোভাযাত্রা ও দুটি বৈজ্ঞানিক সেমিনারের আয়োজন করে। এসব কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিএসএমএমইউ উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো. শারফুদ্দিন আহমেদ।

সেমিনারে উপাচার্য বলেন, আর্থ্রাইটিস নিরাময়ে সচেতন হতে হবে। শরীরের একের অধিক জয়েন্ট যদি ফুলে যায়, স্টিভ বা নাড়াচাড়া না করা যায়, হাঁটা না যায় এমন সমস্যাকে আর্থ্রাইটিস বলে। এর সঙ্গে আরও সমস্যা যোগ হতে পারে। এ জন্য এ রোগ নিরাময়ে বিভিন্ন বিভাগকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। এ রোগের কারণে ইউরোলজিক্যাল সমস্যা হতে পারে, চোখের সমস্যা হতে পারে, রিডার সিন্ড্রোম হতে পারে। আর্থ্রাইটিস, ইউরোথ্রাইটিস এবং কনজাংকভাইটিস যদি থাকে তবে তাকে রেইটার সিন্ড্রোম বলে।

বিএসএমএমইউর শহীদ ডা. মিলন হলে বাংলাদেশ রিউমাটোলজি সোসাইটি আয়োজিত সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমিরেটাস অধ্যাপক ডা. এবিএম আবদুল্লাহ, জাতীয় অধ্যাপক ডা. এ কে আজাদ খান, ভারতের অধ্যাপক ডা. রোহিনি হান্ডা, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ডা. মো. হাবিবুর রহমান দুলাল প্রমুখ। সোসাইটির পক্ষ থেকে ভারতের অধ্যাপক ডা. রোহিনি হান্ডাকে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য গোল্ড মেডেল দেওয়া হয়।

‘বিকলাঙ্গ করতে সক্ষম দীর্ঘমেয়াদি এ বাতরোগের চিকিৎসা ও পুনর্বাসন’ শীর্ষক আরেকটি সেমিনারের আয়োজন করে ফিজিক্যাল মেডিসিন অ্যান্ড রিহ্যাবিলিটেশন বিভাগ। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও রিউমাটোলজি রিহ্যাবিলিটেশন ক্লিনিকের সমন্বয়ক ডা. মশিউর রহমান খসরু।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত