আগামী ২ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে দিনাজপুরের পার্বতীপুর পৌরসভা নির্বাচন। আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও পৌরসভার মেয়র প্রার্থী মো. আমজাদ হোসেন।
পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ডে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত তিনি ভোটারদের সাথে গণসংযোগ উঠান বৈঠকসহ মতবিনিময় সভা করছেন।
তিনি পার্বতীপুর উপজেলার খেটে খাওয়া মানুষের মুখে হাসি ফুটাতে চান। তিনি দলমত নির্বিশেষে পৌরসভা এলাকার উন্নয়ন কল্পে কাজ করতে চান।
নৌকা মার্কায় আমজাদ হোসেন সার্বিক দিক-বিবেচনায় মাঠ জরিপে এগিয়ে আছেন।
ভোটারদের সাথে কথা বলে জানা যায়, আমজাদ হোসেন একজন দক্ষ ও সৎ মানুষ। এলাকার মসজিদ, মাদ্রাসা, শ্মশান ঘাট, মন্দির, ক্রীড়াসহ শিক্ষা সামাজিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে আমজাদ হোসেনের অবদান অতুলনীয়।
করোনাকালীন সময়ে সবাই যখন নিজেকে নিয়েই ব্যস্ত তিনি তখনও সকল প্রকার ভয়ভীতি উপেক্ষা করে দিন-রাত মানুষের দারে দারে ছুটে বেরিয়েছেন। কর্মহীন মানুষের হাতে তুলে দিয়েছেন খাদ্য দ্রব্য ও নগদ অর্থসহ প্রয়োজনীয় বিভিন্ন সামগ্রী।
করোনা রোগীদের জন্য অক্সিজেন সিলিন্ডার বাড়ী বাড়ী পৌঁছে দিতে ছুটেছেন। যা কখনোই ভোলার নয়।
স্থানীয়রা বলেন, যে মানুষটিকে সুখে দুখে সর্বদাই পাশে পাওয়া যায় আমরা অবশ্যই সেই মানুষটিকেই পৌরসভা নির্বাচনে নির্বাচিত করবো। পার্বতীপুর পৌরসভার উন্নয়নে আমজাদ হোসেনকেই প্রয়োজন। আগামী ২ নভেম্বর নৌকা মার্কায় বিপুল ভোটে আমজাদ হোসেন জয়লাভ করবে বলে আমরা আশাবাদী।
এ বিষয়ে পার্বতীপুর পৌরসভার মেয়র পদপ্রার্থী ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আমজাদ হোসেন জানান, পৌর শহরের পানি সরবরাহ, পৌর প্রশাসনে সুশাসন প্রতিষ্ঠাসহ পরিষ্কার-পরিছন্ন সময়োযোগী একটি আধুনিক মডেল পৌর শহর বিনির্মাণে একটি পথ তৈরি করতে চান। সরকারের উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে তাকে নির্বাচিত করবেন পৌরবাসী।
এই নির্বাচনে আমজাদ হোসেনের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী সাবেক মেয়র ও বিএনপি উপজেলা কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি এ.জেড.এম মেনহাজুল হক (নারকেল গাছ প্রতীক)।
গতকাল মঙ্গলবার প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়।
এ পৌরসভায় মোট ভোটার সংখ্যা ৩৩ হাজার ৩৯৯ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১৬ হাজার ৪৭২ জন ও মহিলা ভোটার ১৬ হাজার ৯২৭ জন। পৌরসভায় ১৩টি ভোট কেন্দ্রে ১০৮টি বুথে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
পৌরসভার ৯টি সাধারণ ওয়ার্ড ও ৩টি সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর ওয়ার্ডে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নেমেছেন নতুন ও পুরাতন মিলে ৪০ কাউন্সিলর প্রার্থী।
সর্বশেষ ২০১১ সালের ২৭ জানুয়ারি পার্বতীপুর পৌরসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নিয়মানুযায়ী প্রতি ৫ বছর পর পর স্থানীয় সরকার নির্বাচন অনুষ্ঠানের বিধান থাকলেও পার্বতীপুর পৌরসভার আয়তন বৃদ্ধির কারণে রামপুর ও পলাশবাড়ী ইউনিয়নের সাথে সীমানা জটিলতা সৃষ্টি হলে এতোদিন পার্বতীপুর পৌরসভা নির্বাচন স্থগিত থাকে।
