নেত্রকোনার মদন উপজেলায় পরীক্ষার আগে প্রশ্নপত্র দিয়ে দশম শ্রেণির এক ছাত্রীকে (১৭) কুপ্রস্তাব দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে প্রধান শিক্ষক সোহেল মিয়ার বিরুদ্ধে। তিনি উপজেলার মাঘান ইউনিয়নের চৌধুরী তালে হোসেন মিছিলজান একাডেমির প্রধান শিক্ষক। বিষয়টি জানাজানি হলে গতকাল রবিবার বিদ্যালয়ে বিক্ষোভ করেন শিক্ষার্থীরা। দুপুর ২টায় দশম শ্রেণির গণিত বিষয়ে মডেল টেস্ট পরীক্ষা হওয়ার কথা থাকলেও সহপাঠীরা এতে অংশগ্রহণ করেনি।
ওই ছাত্রীর বড় ভাই জানান, গত শুক্রবার রাতে বাড়ির মোবাইলে ফোন দিয়ে প্রধান শিক্ষক আমার বোনের সঙ্গে কথা বলেন। ফোনে বোনকে প্রধান শিক্ষক বলেন ইমো নম্বর দাও, গণিতের প্রশ্ন তোমাকে দিচ্ছি। পরে আমার ছোট ভাইয়ের ইমো নম্বর দেয়। ইমোর চ্যাটে প্রধান শিক্ষক লিখেন তোমাকে আমি প্রশ্ন দেব তুমি আমাকে কী দেবে। তিনি প্রশ্নপত্র পাঠান, কুপ্রস্তাবও দেন। এসময় শরীরের গোপনীয় স্থান উল্লেখ করে অশ্লীল চ্যাট করেন প্রধান শিক্ষক। বিষয়টি বোনের সহপাঠীরা অবগত হলে গণিত পরীক্ষায় কোনো শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেনি। বিষয়টি স্কুলের ম্যানেজিং কমিটিকে অবগত করা হয়েছে।
জানতে চাইলে প্রধান শিক্ষক সোহেল মিয়া সব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘ওই ছাত্রীকে প্রশ্ন দেওয়া হয়নি। আমার বিরুদ্ধে যড়যন্ত্র করে এসব করা হচ্ছে।’
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তানজিনা শাহরিন বলেন, ‘ঘটনা নিয়ন্ত্রণে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ভুক্তভোগীর অভিযোগপ্রাপ্তি সাপেক্ষে তদন্ত করে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
