বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, খুলনার সমাবেশ থেকে শেখ হাসিনার কাছে বার্তা গেছে যে, আপনি আর বৈধ প্রধানমন্ত্রী নন। অনেক আগে থেকেই আপনার বৈধতা ছিল না। আপনি অন্যায় করে, জোর করে, প্রতিদ্বন্দ্বীহীন দিনের ভোট রাতে করে, নৈশ ভোট করে ক্ষমতায় টিকে আছেন। তার বিরুদ্ধে একটা কড়া প্রতিবাদ জানানো হয়েছে খুলনা বিভাগের সমাবেশের মধ্য দিয়ে। এ সমাবেশে যারা এসেছিলেন তাদেরকে পথে পথে রক্তাক্ত করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৫ অক্টোবর) সন্ধ্যায় মোংলার বটতলায় আহত বিএনপি নেতা জিন্নাত সানার বাসায় তাকে দেখতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
রিজভী বলেন, তিনি দেশনায়ক বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশনায় মোংলায় আহতদের দেখতে গেছেন। তাদের পরিবারের প্রতি সংহতি জানিয়েছেন ও সুস্থতা কামনা করেছেন, আল্লাহর কাছে মোনাজাত করছেন যেন তারা দ্রুত সুস্থ হয়ে যান।
তিনি বলেন, নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন, জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধিসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদির দাম হুহু করে বেড়েই চলেছে। দেশনেত্রী গণতন্ত্রের মা বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবীতে ধারাবাহিক কর্মসূচি বিএনপি করে আসছে। তারই অংশ হিসেবে বিভাগীয় হেড কোয়ার্টারে সমাবেশ হচ্ছে। চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ শেষে তৃতীয় সমাবেশ হয়েছে খুলনায়। এতে সরকারের নানা ধরনের বাধা, হুমকি, সন্ত্রাসী আক্রমণ উপেক্ষা করে রক্তাক্ত হয়েছে আমাদের নেতা-কর্মীরা।
তিনি আরও বলেন, এ সমাবেশ ছিল ঐতিহাসিক। সরকার কোনোভাবেই সমাবেশ পণ্ড করতে পারেনি। তাদের ইচ্ছা ছিল পণ্ড করার, তা করতে না পেরে পথে পথে অসংখ্য নেতা-কর্মীদের ওপর হামলা চালিয়ে রক্তাক্ত করা হয়েছে। তাদের দেখতে এসেছি, খুলনার ফুলতলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৪০/৪৫ জনকে দেখে মোংলায় আহতদের দেখতে এসেছি। আহত বিএনপি, যুব ও ছাত্রদলের জিন্নাত সানা, মো. মাকসু, মো. মনির, মো. হাজী আলম, জসিম, মিজান, ওলিয়ারক দেখার জন্য এসেছি।
এ সময় কেন্দ্রীয় এ নেতার সাথে ছিলেন মোংলা পৌর বিএনপির সহ-সভাপতি মো. এমরান হোসেন, উপজেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি আবু হোসেন পনি, পৌর যুবদলের সদস্য সচিব আবুল কাশেম, পৌর যুবদলের আহবায়ক মাহমুদ রিয়াদ, পৌর স্বেচ্ছাসেবকদলের সাবেক সভাপতি বাবলু ভুইয়া, পৌর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ঈমান হোসেন রিপন, পৌর শ্রমিক দল সভাপতি আলতাফ হোসেন আলতু, থানা শ্রমিক দলের আহ্বায়ক জামাল উদ্দিন, জেলা যুবদল সদস্য মো. আলাউদ্দিন ও পৌর বিএনপির সমাজকল্যাণ সম্পাদক আ. সালাম ব্যাপারীসহ অন্যান্যা নেতা-কর্মীরা।
