রাজধানীর আসাদগেটে গত মঙ্গলবার রাতে মো. রাব্বী ওরফে রাফা এবং সোমবার রাতে মুগদায় রাকিবুল ইসলাম রাতুল হত্যাকান্ডের নেপথ্যে সিনিয়র-জুনিয়র দ্বন্দ্ব। সিনিয়র-জুনিয়রের দুই গ্রুপের দীর্ঘদিনের দ্বন্দ্বে প্রাণ হারান। এসব ঘটনায় ১৪ জনকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব ও পুলিশ।
জানা গেছে, গত মঙ্গলবার ধামরাইয়ের একটি রিসোর্টে পার্টি শেষে ফেরার পথে বাসে গাঁজা সেবন, সিনিয়র গ্রুপের বান্ধবীকে ইভটিজিংকে কেন্দ্র করে বাগ্বিত-ার একপর্যায়ে ছুরিকাঘাতে খুন হন রাব্বী। এ ঘটনায় নিহতের পরিবার কয়েকজনকে আসামি করে মামলা করে। বুধবার রাতে হাজারীবাগ, মোহাম্মদপুর, লালবাগ ও কামরাঙ্গীরচর এলাকায় অভিযান চালিয়ে ঘটনার সঙ্গে জড়িত ফারুক, জিতু, জসিম, মোস্তফা, জোবায়ের ওরফে যুবরাজ ওরফে জয়, রাব্বি ও রোমানকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। রাব্বী হত্যার মূল অভিযুক্ত ফারুকের কাছ থেকে হত্যায় ব্যবহৃত সুইচগিয়ার চাকুটি উদ্ধার করা হয়।
