ইন্দোনেশিয়ার হজযাত্রীদের সংখ্যার বাধ্যবাধকতা তুলে নিয়েছে সৌদি আরব। দেশটি থেকে যেকোনো বয়সের যেকোনো পরিমাণ হজযাত্রী সৌদি আরব যেতে পারবেন। গত বৃহস্পতিবার (২৭ অক্টোবর) দেশটিতে সফরকালে এ তথ্য জানিয়েছেন সৌদির হজ ও ওমরাহবিষয়ক মন্ত্রী তাওফিক আল রাবিয়াহ। এ সময় তিনি পবিত্র মক্কা ও মদিনায় হজযাত্রীদের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধিসহ সাতটি বিষয়ে দেশটির সরকারি-বেসরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন।
ড. তাওফিক বলেন, ইন্দোনেশিয়া থেকে যেকোনো সংখ্যক হজযাত্রী সৌদি আরব যেতে পারবেন। হজযাত্রায় করোনা মহামারীবিষয়ক স্বাস্থ্য বিধিনিষেধ তুলে নেওয়া হয়েছে। তা ছাড়া হজযাত্রীদের বয়স ও মাহরামের (রক্তসম্পর্কীয় আত্মীয়) উপস্থিত থাকার বাধ্যবাধকতা তুলে নেওয়া হয়েছে। মুসলিম বিশ্বে ইন্দোনেশিয়া থেকে সবচেয়ে বেশিসংখ্যক মুসলিম হজপালন করেন বলে জানান তিনি।
করোনা-পরবর্তী সময়েও দেশটি থেকে সর্বোচ্চসংখ্যক মুসলিম হজ ও ওমরাহ পালন করেছেন। দেশটি থেকে ২ লাখ ১১ হাজারের বেশি মুসলিম ওমরাহ পালনে অংশ নেন। করোনা মহামারীর আগে প্রতি বছর দেশটি থেকে দুই লাখের বেশি লোক হজে অংশ নিতেন।
এ বছর গত ৮ জুলাই পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে অংশ নিয়েছেন বিশ্বের ১০ লাখ মুসল্লি। এর পরের এক মাসে ওমরাহ পালন করতে ১০ লাখের বেশি মুসলিম সৌদি আরবে গেছেন। এর মধ্যে ইন্দোনেশিয়া থেকে গেছেন সর্বোচ্চসংখ্যক। এরপর গত ২ আগস্ট করোনাকালের দীর্ঘ দুই বছর পর পবিত্র কাবাঘরের চারপাশে স্থাপিত সুরক্ষাবেষ্টনী সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। ফলে পবিত্র কাবাঘরের দেয়াল ও হাজরে আসওয়াদ বা বরকতময় কালো পাথর সরাসরি স্পর্শ করছেন মুসল্লিরা।
২০২১ সালে পবিত্র হজপালন করেন ৫৮ হাজার ৭৪৫ জন। ২০২০ সালে কঠোর বিধিনিষেধ মেনে ১০ হাজার মানুষ হজপালন করেন। মহামারীর আগে ২০ লাখের বেশি মানুষ হজপালন করতেন।
