অনুষ্ঠানে স্পিকার

সংবিধানকে অর্থবহ করার জন্য সবাইকে কাজ করতে হবে

আপডেট : ০৫ নভেম্বর ২০২২, ০২:৫৮ এএম

সংবিধানকে অর্থবহ করতে শোষণ ও বৈষম্যমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠা করার লক্ষ্যে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী। তিনি বলেছেন, ধনী ও দরিদ্রের বৈষম্য হ্রাস পেলেই শোষণমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠা হবে।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান গৃহীত হওয়ার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে গতকাল শুক্রবার সুপ্রিম কোর্টের উদ্যোগে সুপ্রিম কোর্ট জাজেস কমপ্লেক্সে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন স্পিকার।

তিনি বলেন, ‘সংবিধানে সমাজতন্ত্রের যে কথা বলা হয়েছে, তার মূল কথা হচ্ছে শোষণমুক্ত সমাজ। আর শোষণমুক্ত সমাজব্যবস্থা তখনই হবে যখন ধনী-দরিদ্রের বৈষম্য হ্রাস হবে। সবার মৌলিক অধিকার, মানবাধিকার, সুবিচার, সাম্য নিশ্চিত হবে।’

স্পিকার বলেন, ‘১৯৭৫ এর ১৫ আগস্ট কালরাতে বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে নির্মমভাবে হত্যার পর অবৈধ সংশোধনীর মাধ্যমে সংবিধানের মূল চেতনায় কুঠারাঘাত করা হয়। পরবর্তী সময়ে পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে ৭২ এর সংবিধানের মূল চেতনা অনেকটাই পুনরুদ্ধার করা হয়েছে। এ সংবিধানের সমুন্নত রাখতে হলে আমাদের সবাইকে সচেতন থাকতে হবে।’

প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়কমন্ত্রী আনিসুল হক। আরও বক্তব্য রাখেন সংবিধান প্রণয়ন কমিটির অন্যতম সদস্য ব্যারিস্টার এম আমীর-উল ইসলাম, সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতি মো. নুরুজ্জামান, বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম, অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন, সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি মোমতাজ উদ্দিন ফকির প্রমুখ।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত