গাইবান্ধা উপনির্বাচন

বাকি ৯৪ কেন্দ্রের প্রতিবেদন পেলে সিদ্ধান্ত : সিইসি

আপডেট : ০৬ নভেম্বর ২০২২, ০১:১৫ এএম

গাইবান্ধা-৫ আসনের উপনির্বাচনে ভোটে অনিয়ম তদন্ত ও ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেছেন, তদন্ত প্রতিবেদন পুরো করে গাইবান্ধা উপনির্বাচনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে আরও ৭-১০ দিন সময় লাগবে। ৫১টি কেন্দ্রের তদন্ত প্রতিবেদন তারা পেয়েছেন, বাকি ৯৪টি কেন্দ্রের প্রতিবেদনও এক সপ্তাহের মধ্যে তৈরি করতে বলা হয়েছে আগের কমিটিকে।

গতকাল শনিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে ফরিদপুর-২ আসনের উপনির্বাচনের ভোটগ্রহণ ক্লোজ সার্কিট (সিসি) টিভি ক্যামেরায় পর্যবেক্ষণ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সিইসি এ কথা জানান।

হাবিবুল আউয়াল বলেন, ‘তদন্ত প্রতিবেদন আমাদের হাতে এসেছে। কমিশন সভা নিয়ে ব্যস্ততা ছিল। শনিবার বসে আমরা রিপোর্টগুলো দেখেছি। প্রতিবেদনের বিষয়ে মন্তব্য করছি না। বাকি ৯৪টি কেন্দ্রের পরিস্থিতিও তদন্ত কমিটি পর্যবেক্ষণ করে প্রতিবেদন দেবে।’

শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়ে সিইসি বলেন, ‘একটু অপেক্ষা করেন। ৭-১০ দিন সময় লাগবে। খণ্ডিত প্রতিবেদন পেয়েছি, পুরোটার তদন্ত প্রতিবেদন দরকার।’

গত ১২ অক্টোবর গাইবান্ধা-৫ আসনের উপনির্বাচনে ভোটগ্রহণ হয়। তবে ভোটকেন্দ্রে নানা অনিয়ম ও জালিয়াতির অভিযোগে ভোটগ্রহণ বন্ধ করে দেয় নির্বাচন কমিশন। ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বী মিয়ার মৃত্যুতে আসনটি শূন্য হয়।

এদিকে ফরিদপুর-২ আসনের উপনির্বাচনে শান্তিপূর্ণ ভোট হয়েছে বলে জানিয়েছেন সিইসি কাজী হাবিবুল আউয়াল। তিনি বলেন, ‘যেটা আমাদের প্রত্যাশা ছিল, সিসি ক্যামেরায় দেখলাম শান্তিপূর্ণ ভোট হয়েছে। ভোটার উপস্থিতি কেমন বলতে পারব না। তবে খুব বেশি ভিড় পরিলক্ষিত হয়নি। যেটা আমাদের প্রত্যাশা ছিল যে নির্বাচনটা শান্তিপূর্ণভাবে হবে, কোনো অনিয়ম হবে না, সেদিক থেকে আমরা সন্তুষ্ট।’

নাগরকান্দা, সালথা ও সদরপুর উপজেলা নিয়ে গঠিত ফরিদপুর-২ আসন। সংসদ উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরীর মৃত্যুতে গত ১১ সেপ্টেম্বর সংসদীয় এ আসনটি শূন্য হয়।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত