ঈশ্বরদীতে মায়ের উপর অভিমান করে বিষ পান করে উম্মুল খায়ের মেঘলা (২০) নামের এক এইচএসসি পরীক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছেন।
রবিবার সকালে মেঘলার মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে পুলিশ।
মেঘলা ঈশ্বরদী উপজেলার সলিমপুর ইউনিয়নের ভাড়ইমারী দালাল পাড়া গ্রামের মান্নানের মেয়ে ও দাশুড়িয়া ডিগ্রি (অনার্স) কলেজের ছাত্রী।
প্রায় দুই বছর আগে একই গ্রামের ঈমান আলীর ছেলে আব্দুল কালামের সঙ্গে মেঘলার বিয়ে হয়।
পুলিশ ও এলাকাবাসী জানায়, এইচএসসি পরীক্ষার প্রস্তুতি ভালো হয়নি জেনে গত ২ নভেম্বর তার মা মেয়ে মেঘলার উপর রাগারাগি করেন ও মনোযোগ দিয়ে পড়াশোনা করতে বলেন। মায়ের কথায় অভিমান করে ওইদিন মেঘলা বিষপান করে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন।
পরে তাকে উদ্ধার করে দ্রুত ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে মেঘলাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
সেখানে মেঘলার শারীরিক অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় গত শনিবার ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। রাজশাহী থেকে ঢাকায় নেওয়ার পথে মেঘলা শনিবার রাতে মারা যান।
রাতেই মেঘলার মরদেহ তার বাড়িতে নিয়ে আসা হয়। মেঘলার বাড়ি থেকে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রবিবার পাবনা মর্গে প্রেরণ করেছে ঈশ্বরদী থানা-পুলিশ।
ঈশ্বরদীর থানার ওসি অরবিন্দ সরকার বলেন, মেঘলা খাতুনের মরদেহ ঈশ্বরদী থানা-পুলিশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করে আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
