তুষার চিতাকে (স্নো লেপার্ড) বলা হয় পাহাড়ি ভূত, এরা ভ্রম তৈরির ওস্তাদ। মধ্য এশিয়ার তুষারময় পর্বতমালার রুক্ষ-দুর্গম অঞ্চলে আবাস এবং লাজুক স্বভাবের কারণে এদের খুঁজে পাওয়া বিরল। হাতেগোনা কয়েকজন ওয়াইল্ডলাইফ ফটোগ্রাফার তুষার চিতার ছবি তুলতে পেরেছেন। তার মধ্যে একজন যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ফটোগ্রাফার কিত্তিয়া পাওলোস্কি।
তুষার চিতার ছবি পাওয়ার সঙ্গেসঙ্গেই তিনি সামাজিক যোগাযোগের প্ল্যাটফর্ম ইনস্টাগ্রামে তা শেয়ার করেন। সেই ছবি পরে এনিমেল প্ল্যানেটে প্রকাশিত হয় এবং নেপালি দূতাবাসও ছবিটি ব্যবহার করে। পাওলোস্কি তুষার চিতাকে ক্যামেরাবন্দি করেছিলেন নেপালের সাদা এবং তুষার আচ্ছাদিত ল্যান্ডস্কেপের বিপরীতে। এমনিতেই তার ছবিগুলোর এক ধরনের পৌরাণিক সৌন্দর্য্য যা তাকে সবার চেয়ে আলাদা করেছে।

ইনস্টাগ্রাম পোস্টে পাওলোস্কি বলছেন, তুষার চিতার ছবি পেতে তাকে নেপালের প্রত্যন্ত অঞ্চল চষে বেড়াতে হয়েছে। তিনি বলছেন, ওই তুষার চিতাটির ছবি পেতে নেপালের খুম্বু উপত্যকায় পৌঁছাতে হয়েছিল। ওই সময় তিনি ১৬৫ কিলোমিটারের বেশি দীর্ঘপথ হেঁটেছিলেন।
তিনি তার একটি ছবির ক্যাপশনে লিখেছেন, পৃথিবীর সবচেয়ে জনমানবহীন ভূখণ্ডের ঊর্ধ্বমুখী চূড়া আর উচ্চ মরুভূমির ভেতর দিয়ে অনেক হাঁটার পর আসে সেই কাঙ্ক্ষিত মুহূর্ত। এটিই তার তোলা ছবির সবচেয়ে কঠিন ছবি।
তার ছবিগুলোতে মন্তব্য করে একজন টুইটার ব্যবহারকারী লিখেছেন, "একদম শ্বাসরুদ্ধকর! আপনি এখনও আমার দেখা সেরা। আপনার দুর্দান্ত ক্যাপচারে আমি কেবল বিস্মিত। আপনি অসাধারণ!" অন্য আরেক ব্যবহারকারী বলেছেন, "এটি এখন আমার ফোনের হোমস্ক্রিন, আমার প্রিয় কুকুরের ছবি হাহা প্রতিস্থাপন করেছে। এমন জমকালো শট আগে কখনো দেখিনি। অভিনন্দন!
