ধর্মবিষয়ক পরীক্ষা বাধ্যতামূলক করার দাবি জানিয়েছে হেফাজতে ইসলাম। একই সঙ্গে গ্রেপ্তার আলেম-ওলামাদের দ্রুত মুক্তি ও নেতাকর্মীদের নামে হওয়া মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানায় তারা।
সোমবার ঢাকার খিলগাঁওয়ে অবস্থিত জামিয়া ইসলামিয়া মাখজানুল উলুম মাদ্রাসায় হেফাজতে ইসলামের ঢাকা মহানগর কমিটির পরিচিতি সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংগঠনের মহাসচিব শায়েখ সাজিদুর রহমান এসব দাবি জানান।
তিনি বলেন, ২০২১ সাল থেকে অনেক আলেম-ওলামা বন্দী অবস্থায় আছেন। তাদের মধ্যে অনেকে গুরুতর অসুস্থ। অবিলম্বে তাদের মুক্তি দিতে হবে। এ ছাড়া হেফাজতের নেতাকর্মীদের নামে করা সব মিথ্যা মামলাও প্রত্যাহার করতে হবে।
তিনি আরো বলেন, হেফাজতে ইসলাম শাহ আহমদ শফীর প্রতিষ্ঠিত সংগঠন। হেফাজতের কোনো রাজনৈতিক উদ্দেশ্য নেই। পরবর্তীতে আল্লামা জুনাইদ বাবুনগরী সম্পূর্ণ অরাজনৈতিকভাবে এ সংগঠন পরিচালনা করে গেছেন। আমাদের তাদের পথ অনুসরণ করে এগিয়ে যেতে হবে।
হেফাজত মহাসচিব বলেন, আমরা জানতে পেরেছি ধর্মীয় শিক্ষা নিয়ে চতুর্মুখী ষড়যন্ত্র চলছে। এ ধরনের ষড়যন্ত্র ২০১৬ সালেও একবার হয়েছিল। তখন হেফাজতে ইসলামের দাবির মুখে সরকার বাধ্য হয় সেই সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করতে। বর্তমানে শিক্ষাব্যবস্থা থেকে ধর্মবিষয়ক পরীক্ষা তুলে দেওয়া হচ্ছে। ধর্মশিক্ষা বই পাঠ্যপুস্তকে থাকলেও পরীক্ষায় না থাকায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে গুরুত্ব হারাবে। তাই ধর্মবিষয়ক পরীক্ষা বাধ্যতামূলক করার জন্য আমরা জোর দাবি জানাচ্ছি।
উক্ত সভায় সভাপতিত্ব করেন মহানগর সভাপতি মাওলানা আবদুল কাইয়্যুম সুবহানী।
এতে আরো উপস্থিত ছিলেন, যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মুহিউদ্দিন রাব্বানী, সহকারী মহাসচিব মাওলানা জহুরুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা মীর ইদরীস, ঢাকা মহানগর সেক্রেটারি ও কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক মুফতি কেফায়েত উল্লাহ আজহারী, মাওলানা মুজিবুর রহমান হামিদী, মাওলানা ওয়াহিদুর রহমান, মাওলানা আবদুল্লাহ ইয়াহহিয়া, মাওলানা ইলিয়াস হামিদী, মাওলানা যুবায়ের আহমদ, মুফতি মুনিরুজ্জামান, মুফতি কামাল উদ্দীন, মাওলানা মুস্তাকিম বিল্লাহ হামিদী, মাওলানা যুবায়ের রশীদ, মাওলানা রাশেদ বিন নূর ও সাইয়েদ মাহফুজ খন্দকার।
