জাতীয় লিগের একমাত্র শিরোপা জিতেছিল রংপুর ২০১৪-১৫ মৌসুমে। ৮ বছর পর তাদের সামনে এবার দ্বিতীয় শিরোপা জয়ের হাতছানি। আজ মাত্র ৮৮ রান করলেই ২৪তম আসরের চ্যাম্পিয়ন হবে রংপুর। বগুড়ায় সিলেটকে দ্বিতীয় ইনিংসে মাত্র ১৬৮ রানে অলআউট করে জয়ের প্রান্তে পৌছেছে রংপুর।
জাতীয় লিগের শেষ রাউন্ডে ২৮ পয়েন্ট নিয়ে টায়ার ১ এর শীর্ষে থেকে শুরু করে রংপুর। দ্বিতীয় স্থানে থাকা সিলেটের ছিল ২১ পয়েন্ট। এই রাউন্ডে জিততেই হতো সিলেটকে, বিপরীতে রংপুরের জন্য ড্র-ই যথেষ্ট ছিল। রংপুর সেই পথে হাঁটেনি। ম্যাচ জিতেই শিরোপা উৎসব করবে আকবর আলির দল। ম্যাচে সিলেটের হারের কারণ হতে পারে ব্যাটিং ব্যর্থতা। দুই ইনিংসে হাফসেঞ্চুরি করতে ব্যর্থ হন দলের সব ব্যাটার। দ্বিতীয় ইনিংসে তৌফিক তুষারের ৩৬ রান দুই ইনিংসে দলটির সর্বোচ্চ। এছাড়া স্পিনার নাসুম আহমেদ তিনে নেমে করেন ৩৩। দ্বিতীয় ইনিংসে তাই ১৬৮ রানে গুটিয়ে যায় সিলেট। মিডিয়াম পেসে ৪ উইকেট নেন আসরে রংপুরের হয়ে ডাবল সেঞ্চুরি করা অবদুল্লাহ আল মামুন। তাতে মাত্র ৮৭ রানে এগিয়ে থাকে সিলেট। এ রান আজ ম্যাচের তৃতীয় দিন সহজেই টপকে যাবে রংপুর।
জয়ের সমান আনন্দের সুবাশ পাচ্ছে ঢাকা মেট্রোও। টায়ার ২ থেকে উপরের টায়ারে ওঠার সুযোগ তাদের সামনে। ওই গ্রুপে ২২ পয়েন্ট নিয়ে তারা দুই নম্বরে। আর ২৫ পয়েন্ট নিয়ে রাজশাহী শীর্ষে তবে জাতীয় লিগের শেষ রাউন্ডে খুলনার কাচে প্রথম ইনিংসে ৫৪ রানে অলআউট হওয়ায় রাজশাহীর জয়ের সম্ভাবনা কঠিন। তাই টায়ার ১-এ উন্নীত হওয়ার পথটা মেট্রোর জন্যই সহজ বেশি। সিলেটে বরিশালের বিপক্ষে নিজেদের প্রথম ইনিংসে ২২২ রানে আলআউট হয়েছে মেট্রো। রাকিবুল ও কাজি অনিক দুজনই ৬৩ রান করে করেছেন। বরিশালের প্রথম ইনিংসে করা ২১১ রানের বিপরীতে তাই ১০ রানের লিড পেয়েছে মেট্রো। জবাবে দ্বিতীয় ইনিংসে ২ উইকেটে ১০৩ রানে দ্বিতীয় দিন শেষ করেছে বরিশাল।
রাজশাহী খুলনার প্রথম ইনিংসে করা ২৬৬ রানের জবাবে নিজেরা প্রথম ইনিংসে অলআউট হয়েছে ৫৪ রান। ফলোঅনে নেমে দ্বিতীয় ইনিংসে ৫ উইকেটে ২০২ রান করে দিন শেষ করে রাজশাহী। এখনও তারা ১০ রানে পিছিয়ে। রাজশাহীর তানজিদ তামিম ১০৮ রানে অপরাজিত আছেন। আসরে নিজের দ্বিতীয় হাফসেঞ্চুরি পেলেন এই ব্যাটার।
টায়ার ১ থেকে অবনমনে নামার নিশ্চিত অবস্থানে থাকা চট্টগ্রাম শেষ রাউন্ডে জয়ের সম্ভাবনা দেখছে। এই আসরে একটিও ম্যাচ না জেতা একমাত্র দল তারা। বিকেএসপিতে দ্বিতীয় দিন শেষে ঢাকা বিভাগের সঙ্গে ১৯২ রানে এগিয়ে আছে চট্টগ্রাম। ঢাকাকে প্রথম ইনিংসে ১৯৮ রানে অলআউট করে খুব বেশি লিড নিতে দেয়নি চট্টগ্রামের বোলাররা। পেসার ইয়াসিন আরাফাত মিশু একাই নেন ৬ উইকেট।
জবাবে দ্বিতীয় ইনিংসে ৩ উইকেটে ১৮৭ রান করেছে চট্টগ্রাম। মাহমুদুল হাসান জয় ৭৩ ও পারভেজ হোসেন ইমন ৫৪ রান করেন। মুমিনুল ৩৭ ও শাহাদাত হোসেন দিপু ১২ রানে অপরাজিত আছেন। ৫ ম্যাচ থেকে মাত্র ৪ পয়েন্ট পাওয়া চট্টগ্রাম এ ম্যাচে জিতলেও দ্বিতীয় টায়ারে নেমে যাবে।
