এক. দুঃখ ও দুশ্চিন্তা মানুষের জীবনে নিত্যসঙ্গী। সব সময় এসব থেকে মহান আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাওয়া মুমিনের কর্তব্য। মহানবী (সা.) এসব পরিস্থিতি থেকে মুক্তির জন্য বিভিন্ন দোয়া করতেন। হজরত আনাস (রা.) বর্ণনা করেছেন, রাসুল (সা.) তার সেবার জন্য এক কিশোরের খোঁজ নিতে বলেন। অতঃপর হজরত আবু তালহা (রা.) আমাকে নিয়ে যান। আমি রাসুল (সা.)-এর অবস্থানকালে সেবা করতাম। রাসুল (সা.)-কে দোয়াটি বেশি পড়তে শুনতাম
উচ্চারণ : ‘আল্লাহুম্মা ইন্নি আউজুবিকা মিনাল হাম্মি ওয়াল হুাজানি, ওয়াল আজাজি ওয়াল কাসালি, ওয়াল বুখলি ওয়াল জুবনি, ওয়া দালায়িদ দাইনি ওয়া গালাবাতির রিজালি।’
অর্থ : ‘হে আল্লাহ! আমি আপনার আশ্রয় নিচ্ছি দুশ্চিন্তা ও দুঃখ থেকে, অপারগতা ও অলসতা থেকে, কৃপণতা ও ভীরুতা থেকে, ঋণের ভার ও মানুষদের নিপীড়ন থেকে।’ সহিহ বোখারি : ৫৪২৫
দুই. মানুষের জীবনে রয়েছে অনেক দুঃখ-দুর্দশা। কঠিন বিপদে ছন্দপতন ঘটে আনন্দঘন জীবনের। এসব মুহূর্তে অস্থির হয়ে পড়ে সবার অন্তর। এ সময়ে মহানবী (সা.)-এর একটি দোয়া বেশি পড়তেন। দোয়াটি হলোÑ
উচ্চারণ : লা ইলাহা ইল্লাল্লাহুল আজিমুল হালিম। লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু রাব্বুল আরশিল আজিম। লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু রাব্বুস সামাওয়াতি ওয়া রাব্বুল আরদি ওয়া রাব্বুল আরশিল কারিম।
অর্থ : মহান পরাক্রমশালী আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই। মহান আরশের অধিপতি আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই। আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীর অধিপতি আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই। তিনি মহান আরশের অধিপতি।
উপকার : হজরত আবদুল্লাহ বিন আব্বাস (রা.) বর্ণনা করেছেন, নবী করিম (সা.) কঠিন বিপদের সময়ে দোয়াটি পড়তেন। সহিহ বোখারি : ৬৩৪৬
