শুক্রবার ঢাকায় পুলিশ পথচারীদের হোয়াটসঅ্যাপ ও মেসেঞ্জারে তল্লাশি চালিয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
বেশ কজন পথচারী ও যাত্রীর অভিযোগ করেন তাদের অযথা সন্দেহে পুলিশি তল্লাশির মুখে পড়তে হয়েছে। বিশেষ করে নয়াপল্টন এলাকা দিয়ে বেশ নাজেহাল হতে হয়। করে ওই এলাকায় বসবাসরতদের ঢুকতে দেওয়া হলেও তাদের মেসেঞ্জার-হোয়াটসঅ্যাপও চেক করছে পুলিশ।
এ বিষয়ে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার আবুল হাসান জানান, ওপর থেকে নির্দেশনা আছে এই এলাকায় কাউকে ঢুকতে দেওয়া যাবে না। তারপরও আমরা ওই এলাকায় বসবাসরত বা যৌক্তিক কারণে কেউ এলে তাকে আমরা ঢুকতে দিচ্ছি। এ ক্ষেত্রে পুলিশ সদস্যরা কাউকে সন্দেহজনক মনে হলে চেক করছে।
জানা গেছে, বিএনপির ঢাকা বিভাগীয় সমাবেশকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তায় মোতায়েন করা হয়েছে ডিএমপির ২৫ হাজারের বেশি সদস্য। এ ছাড়া মাঠে আছে বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার বিপুলসংখ্যক সদস্য। ঢাকার প্রবেশমুখগুলোতে ব্যাপক তল্লাশি চালিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। গুরুত্বপূর্ণ স্থানে বসানো হয়েছে চেকপোস্ট। গত কয়েক দিনের তুলনায় বৃহস্পতিবার রাত ও শুক্রবার তল্লাশি তৎপরতা ছিল অনেক বেশি।
রেলস্টেশন, বাসটার্মিনাল এবং লঞ্চঘাটে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় দেখা গেছে র্যাব-পুলিশসহ বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যদের।
তল্লাশি কার্যক্রমের অংশ হিসেবে যাত্রীদের হোয়াটসঅ্যাপ এবং মেসেঞ্জার গ্রুপ পরীক্ষা করছে পুলিশ।
জানতে চাইলে ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার খন্দকার গোলাম ফারুক দেশ রূপান্তরকে বলেন, সমাবেশকে সামনে রেখে কঠোর নিরাপত্তার বলয় থাকছে। কোন ধরনের ফাঁক-ফোকর রাখা হচ্ছে না। তল্লাশি চৌকি বাড়ানো হয়েছে। তবে অহেতুক কাউকে হয়রানি করতে পুলিশকে বারণ করা হয়েছে। যেকোনো ধরনের নাশকতা প্রতিরোধ করতে সবাই একযোগে কাজ করছে।
