জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সভাপতি সভানেত্রী আফরোজা আব্বাস বলেছেন, আওয়ামী লীগ ঢাকায় বিএনপির সমাবেশ বন্ধ করতে চেয়েছিল। তারা কী সমাবেশ বন্ধ করতে পেরেছে, পারেনি। কারণ জাতীয়তাবাদী দল কখনও পরাজিত হয়নি, হবে না ইন্নাশাআল্লাহ।
তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ এসে দেখে যাক আমাদের গণঅভ্যুত্থান। তারা এখন আমাদের ঘরে এসে হামলা করছে।
শনিবার (১০ ডিসেম্বর) বেলা ১২টায় বিএনপির ঢাকা বিভাগীয় গণসমাবেশে তিনি একথা বলেন।
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসকে সাধারণ কয়েদীদের সঙ্গে রাখা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন মহিলা দলের সভাপতি আফরোজা আব্বাস।
তিনি বলেন, আমাদের মহাসচিব ও মির্জা আব্বাসকে জামিন দিলো না। জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠিয়ে দিলো। কাল তাদের সাধারণ কয়েদিদের সঙ্গে ওয়ার্ডে রেখেছে। ফ্লোরিং করিয়েছে।
আফরোজা আব্বাস বলেন, নয়াপল্টনে পার্টি অফিসের সামনে আমরা সমাবেশ করতে পারি না। অথচ আওয়ামী লীগ ঢাকার গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা বন্ধ করে সমাবেশ করে। ওয়ার্কিং ডে'তে সমাবেশ করে। গার্মেন্টস বন্ধ করে সমাবেশ করে, স্কুল-কলেজ বন্ধ করে দিয়ে সমাবেশ করে। সমাবেশে বেশি লোক দেখানোর জন্য নারী-পুরুষ জোর করে সমাবেশে আনে। অথচ আমাদের ভাই বোনেরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে সমাবেশে যোগ দিতে চাইলে তারা বাধা দেয়। তারা চেয়েছিল বিএনপি যেনো অন্তত ঢাকায় সমাবেশ করতে না পারে। কিন্তু তারা সফল হয়নি। বিএনপি কখনো পরাজিত হয় না।
তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ এখন ঘরে ঘরে হামলা করছে। আপনারা দেখেছেন বিস্ফোরক আইনে ৪৫০ জনের বিরুদ্ধে মামলা দিয়েছে। ওবায়দুল কাদের কক্সবাজার বসে বললেন 'পল্টন কার্যলয়ে বিস্ফোরক পাওয়া গেছে।' তখন পর্যন্ত আপনারা জানেন না, আমরাও জানি না, সাংবাদিক ভাইয়েরাও জানে না। তাহলে তিনি জানলেন কীভাবে। কারণ এই বিস্ফোরক পুলিশের মাধ্যমে তিনি পাঠিয়েছিলেন। সুতরাং সাবধান, এই অন্যায় আর করবেন না।
মির্জা আব্বাস পত্নী বলেন, আমাদের বাড়ির সামনে দিয়ে ২০০-২৫০ পুলিশের পাহারায় আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগের ১৫-২০ জন স্লোগান দেয় 'মির্জা আব্বাসের চামড়া তুলে নেবো আমরা।' শাহস থাকলে পুলিশ ছাড়া আস। সাবধান, স্লোগান দেয়ার আগে ভাবতে হবে।
প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত আছেন, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন। সভাপতিত্ব করছেন ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমানউল্লাহ আমান ও সঞ্চালনায় রয়েছেন, ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ বিএনপি সদস্য সচিব আমিনুল হক ও রফিকুল আলম মজনু।
