এই বিশ্বকাপে একমাত্র বাইসাইকেল কিক। আসরে একটা সময় পর্যন্ত এটাই ছিল সেরা গোল। সার্বিয়ার বিপক্ষে ব্রাজিলের প্রথম ম্যাচটিতে গোল পাচ্ছিল না সেলেসাওরা। কিন্তু ৭৩ মিনিটে বাম দিকে থেকে ভিনিসিউস জুনিয়রের ভাসানো বল পেনাল্টি স্পটের কাছে বাম পায়ে রিসিভ করেন রিচার্লিসন। বলটিতে আলতো করে শূন্যে তুলে শরীর শূন্যে ভাসিয়ে ডান পায়ের বাইসাইকেল কিকে সার্বিয়ান গোলরক্ষকে পরাস্ত করেন
সালেম আল-দাওসারি, সৌদি বনাম আর্জেন্টিনা গ্রুপ ম্যাচ
অসাধারণ একটি গোল এনে দেয় অসাধারণ ও চমকপ্রদ ফল। ম্যাচ তখন ১-১ গোলে সমতায়। ৫৩ মিনিটে আর্জেন্টিনার বক্সের বাম কোনায় বল পেয়ে দুই ডিফেন্ডারকে কাটান সালেম। এরপর সামনে লিয়ান্দ্রো পারেদেস এলেও তাকে নিয়েই একটু এগিয়ে যান। ঠিক ওই মুহূর্তে চকিতে ডান পায়ের জোরালো শটে গোলকিপার এমি মার্তিনেজকে পরাস্ত করেন। একই সঙ্গে আসরের সেরা অঘটনটাও উপহার দেন।
লিওনেল মেসি, আর্জেন্টিনা বনাম অস্ট্রেলিয়া
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাঁ পায়ের পুরনো কারিশমা দেখান মেসি। ম্যাচের ৩৫ মিনিটে অস্ট্রেলিয়ার বক্সের বাইরে থেকে গোল করেন। ডান প্রান্ত থেকে বল নিয়ে এগিয়ে এসে পাস দেন ওতামেন্দিকে। ওতামেন্দির পা ঘুরে ম্যাক অ্যালেস্টারের পা থেকে বল পান মেসি। ভেতরে ঢুকে জায়গা নিয়ে পায়ের গড়ানো শটে ওঁৎ পেতে থাক সকারুজদের বোকা বানান।
গনসালো রামোস, পর্তুগাল-সুইজারল্যান্ড
রোনালদোকে বসিয়ে রেখে সবচেয়ে কঠিন সিদ্ধান্ত নেন পর্তুগাল কোচ ফার্নান্দো সান্তোস। আর অভিষেক ম্যাচেই বাজিমাত করে দিলেন রোনালদোর জায়গায় নামা গনসালো রামোস। ম্যাচের ১৭তম মিনিটে সতীর্থের থেকে পাস রিসিভ করে শরীর উল্টো ঘুরে একরকম অসম্ভব একটি অ্যাঙ্গেল থেকে গোল করেন এই তরুণ।
ওউট ওয়েগহর্স্ট, আর্জেন্টিনা বনাম নেদারল্যান্ডস
ওই ম্যাচে দুটো গোলই করেছিলেন ওয়েগহর্স্ট। এর মধ্যে শেষ গোলটিই হৃদয়ে কাঁপন ধরায় আর্জেন্টিনার। ম্যাচের শেষ বাঁশি বাজতে আর কিছু সেকেন্ড বাকি। শেষ ফ্রি কিকটাই সম্বল ছিল নেদারল্যান্ডসের। সবাইকে বোকা বানিয়ে ডি ইয়ং দারুণ বুদ্ধি খাটিয়ে আলতো ছোঁয়ায় বল দেন গোলপোস্টের সামনে থাকা ওয়েগহর্স্টকে। আলতো ছোঁয়ায় গোল দিয়ে নেদারল্যান্ডসকে ম্যাচে রেখেছিলেন।
জুলিয়ান আলভারেজ, আর্জেন্টিনা বনাম ক্রোয়েশিয়া
বিশ্বকাপের সম্ভবত সেরা গোল হতে পারে এটি। মধ্য মাঠে ক্রোয়েশিয়ার অর্ধ থেকে মেসির কোনোরকমে এগিয়ে দেওয়া পাস থেকে বল পান আলভারেজ। গোল অর্ধ থেকে সেই যে টান দিলেন... একেবারে ডি বক্সে গিয়ে হোঁচট খেতে খেতেও সামলে নিয়ে চোখ ধাঁধানো গোলটি করেন আলভারেজ। দুই ডিফেন্ডার আলভারেজকে আটকে দিয়েও পারেননি।
