চীনে করোনা সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় বিভিন্ন দেশে ভ্রমণসহ বিধিনিষেধ ও সতর্কতা জারি করাকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে মনে করছে পেইচিং। এর ফলাফল হিতে বিপরীত হতে পারে বলেও সতর্ক করেছে দেশটি। যুক্তরাষ্ট্র, ভারত, যুক্তরাজ্যসহ আরও বেশ কয়েকটি দেশ চীন থেকে দেশে ফেরার পর যেকোনো ব্যক্তির করোনা পরীক্ষা বাধ্যতামূলক করেছে। এই পদক্ষেপে ক্ষুব্ধ চীন। গত মঙ্গলবার দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাও নিং বলেন, চীন সরকার রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে মহামারী প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা কাজে লাগানোর প্রচেষ্টার বিরোধী এবং এ বিষয়ে নীতি অনুসারে ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।’ সম্প্রতি জিরো কভিড নীতি শিথিল করার পর চীনে হু হু করে বাড়তে শুরু করে করোনা সংক্রমণ।
এদিকে অভিযোগ আছে, করোনায় সংক্রমণ ও মৃত্যু কম করে দেখানো হচ্ছে। বিশ্লেষকদের দাবি, চীনে দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা ২০ লাখের বেশি। চীন সরকার কভিড সংক্রান্ত সুস্পষ্ট তথ্য প্রকাশ না করায় গত ৮ ডিসেম্বর থেকে ভ্রমণের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিচ্ছে বিভিন্ন দেশ। গত কয়েক দিনে এক ডজনেরও বেশি দেশ চীনফেরত লোকজনের কভিড পরীক্ষা বাধ্যতামূলক করেছে।
