ফেসবুকে নয়, মাঠে মনোযোগ উসমানের

আপডেট : ১০ জানুয়ারি ২০২৩, ১২:৫০ এএম

পৃথিবীটা এখন ‘মোহীনের ঘোড়াগুলির’ সেই গানের মতোই। প্রযুক্তির ছোঁয়ায় হাতের মুঠোয় চলে এসেছে। সবকিছু এখন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বন্দী। জগতের সবকিছুকেই যেন কুক্ষিগত করে রেখেছে এই মাধ্যম। মানুষের সময়গুলো গিলে খাচ্ছে ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম কিংবা টুইটার। এসবের বাইরেও যে কেউ যেতে পারছে না। এসব মাধ্যমের সঙ্গে কেউ যুক্ত না শুনলে চোখ কপালে উঠার কথা। তেমনই একজন চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স ব্যাটার উসমান খান। ২০২৩ সালে এসেও নেট দুনিয়া থেকে নিজেকে বিরত রেখেছেন তিনি।

সোমবার রাতে মিরপুরে খুলনা টাইগার্সের বিপক্ষে বিধ্বংসী এক ইনিংস খেলেছেন। ৫৮ বলে দশ চার আর পাঁচ ছক্কায় করেছেন ১০৩ রান। জিতে নিয়েছেন ম্যাচসেরার পুরস্কার। যার অনবদ্য ইনিংসটিতে চট্টগ্রাম ৯ উইকেটের বড় জয় পেয়েছে। তাতে ম্লান হয়েছে আজম খানের ক্যারিয়ারের প্রথম শতকটি।

শতক হাঁকানো উসমান খান পরে সংবাদ সম্মেলনে এসেছিলেন চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের প্রতিনিধি হয়ে। সেখানে আলোচনা পর্বের এক পর্যায়ে প্রশ্ন উঠে প্রথম ম্যাচে সিলেট স্ট্রাইকার্সের কাছে হারের পর চট্টগ্রামের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের পোস্টটির কথা। যেখানে তারা নিজেদের আত্মবিশ্বাস বাড়াতে লিখেছিল, ‘আর্জেন্টিনা প্রথম ম্যাচ হেরেছিল, কিন্তু তারাই চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল।’

সেই পোস্টের পর নেটিজেনদের ট্রলের স্বীকার হয় চ্যালেঞ্জার্সের ফেসবুক পেইজ। পোস্টের নিচে বিদ্রুপ আর নেতিবাচক কমেন্টের ছড়াছড়ি শুরু হয়। সেসব কমেন্টের কারণে কি উসমানের ব্যাটে ক্ষোভ ঝড়েছে? এমন প্রশ্নের উত্তরে উসমান যা বললেন, তা শুনলে চোখ কপালে উঠতেই বাধ্য।

নিজেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকে বিরত রেখেছেন জানিয়ে তিনি বলেছেন, ‘আমার না আছে কোনো ইনস্টাগ্রাম অ্যাকউন্ট, না আছে কোনো ফেসবুক আইডি। সুতরাং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কি হয় না হয় সেসব আমি দেখতে পারি না।’

ফেসবুকে মনোযোগ না দিয়ে মাঠের খেলাতেই দৃষ্টি রাখেন জানিয়ে পাকিস্তানি বংশোদ্ভুত এই ক্রিকেটার বলেন, ‘যদি আমার সামনে কেউ সমালোচনা তবে সোজা মাটির দিকে তাকিয়ে চলে যাই, কারণ আমার কাজ ক্রিকেট খেলা। সবকিছুর জবাব মাঠের পারফরম্যান্সে দেখানোটাই একজন ক্রিকেটারের কাজ।’

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত