ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সাংবাদিক ও বেওয়ারিশ লাশ দাফনকারী সংগঠন বাতিঘর সদস্য আশিকুল ইসলাম আশিক (২৭) খুনের ঘটনায় আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে রায়হান (২৪)। গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আফরিন হ্যাপির আদালতে এ স্বীকারোক্তিমূলক প্রদান করেছে। ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানার ওসি (তদন্ত) সোহরাব হোসেন বলেন, রায়হান আদালতে খুনের দায় স্বীকার করে বলেন, মূলত অপমানের প্রতিশোধ নিতে আশিককেও অপমান করতে চেয়েছিলেন। খুনের ইচ্ছে ছিল না। রায়হান জানায়, কয়েক দিন আগে কাউতলী এলাকায় বাতিঘরের রক্তদানকে কেন্দ্র করে আশিক রায়হানকে জনসমক্ষে চড়-থাপ্পড় মেরে অপমান করেছিল। সেই প্রতিশোধ নিতে সে সুযোগ খুঁজছিল। গত সোমবার বিকেলে শহরের অবকাশে বাতিঘরের সভার খোঁজ পেয়ে সেখানে অপেক্ষা করতে থাকে। আশিক অটোতে উঠতে গেলে তাকে ধরে কিল-ঘুষি মারতে থাকে। এ সময় আশিকের সঙ্গে থাকা লোকজন রায়হানকে আটকাতে চাইলে সে তার কাছে থাকা ছুরি দিয়ে আশিকের বুকে আঘাত করে পালিয়ে যায়। সে ধারণাও করতে পারেনি আশিক মরে যাবে।
এদিকে সাংবাদিক ও বাতিঘর সদস্য আশিক খুনের ঘটনায় হত্যা মামলা হয়েছে। গত সোমবার রাত সোয়া ১১টার দিকে নিহত আশিকের বাবা আশরাফ উদ্দিন বাদী হয়ে সদর মডেল থানায় মামলাটি করেন। মামলায় ভাদুঘর গ্রামের রায়হান ও দক্ষিণ মৌড়াইল এলাকার সাফিন আহমেদ জুনায়েদের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতপরিচয় আরও তিন-চারজনকে আসামি করা হয়েছে।
