সোমবার, ১৫ জুলাই ২০২৪, ৩১ আষাঢ় ১৪৩১
দেশ রূপান্তর

নেট জিরোর চাবি দ্বিমুখী সোলার

আপডেট : ২১ জানুয়ারি ২০২৩, ০১:৩২ এএম

দ্বিমুখী সোলার প্যানেল উন্নত করার নতুন এক কৌশল খুঁজে পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা। তাদের দাবি, এটি নবায়নযোগ্য শক্তি উৎসের দীর্ঘমেয়াদি বিকল্প হিসেবে কাজ করতে পারে। আর গ্রিনহাউজ গ্যাস নির্গমন শূন্যের কাছাকাছি নামিয়ে আনার লক্ষ্যমাত্রাকে বেগবান করবে। দ্বিমুখী সৌর প্যানেলের দুপাশেই আলোক শক্তি সঞ্চয়ের ব্যবস্থা থাকায় এটি একমুখী সৌর প্যানেলের চেয়ে ৩৫ শতাংশ বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে পারে।

ব্রিটিশ সংবাদপত্র ইন্ডিপেন্ডেন্ট এক প্রতিবেদনে দাবি করেছে, প্রতিফলিত আলোক শক্তি সঞ্চয়ের সুবিধা থাকার পাশাপাশি দ্বিমুখী প্যানেল গতানুগতিক যেকোনো প্যানেলের চেয়ে বেশি টেকসই। আর এটি ৩০ বছরেরও বেশি সময় পর্যন্ত বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে পারে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, এখানে উন্নত দক্ষতা ও স্থায়িত্বের মানে হলো, এগুলো ২০৫০ সালের মধ্যে বৈশ্বিক শক্তি চাহিদার ১৬ শতাংশেরও বেশি সরবরাহ করবে বলে আশা করা হচ্ছে। তবে এখন পর্যন্ত দ্বিমুখী ফটোভোলটাইক বা সৌর সেলের মাধ্যমে উৎপাদিত শক্তির সঠিক পরিমাপ করা তুলনামূলক জটিলই ছিল।

তুষার, ঘাস ও বালুর মতো ভূপৃষ্ঠ আবৃত করা বিভিন্ন পদার্থের প্রভাব বিবেচনায় নিয়ে দ্বিমুখী প্যানেলের পরিমাপ ব্যবস্থা উন্নত করার নতুন এক কৌশল খুঁজে পেয়েছে কানাডার ‘ইউনিভার্সিটি অব অটোয়া’র এক গবেষক দল। এ কৌশলের বিভিন্ন সুবিধার মধ্যে রয়েছে বিদ্যমান ও উদীয়মান দ্বিমুখী প্রযুক্তির মধ্যে তুলনা, নির্দিষ্ট নকশা অপটিমাইজ করে কার্যদক্ষতা বাড়ানো ও অপ্রচলিত বাজারে সৌর প্যানেল স্থাপন বাড়ানোর মতো বিষয়গুলো।

গবেষণা সংস্থা সানল্যাবের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক কারিন হিনজার বলেন, এ কৌশল বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ কারণ নবায়নযোগ্য শক্তির অনুপ্রবেশ ‘নেট-জিরো’ পৃথিবীর দিকে যাওয়ার সম্ভাবনা বাড়িয়ে দেবে। ২০৫০ সাল নাগাদ বৈশ্বিক শক্তি সরবরাহ ব্যবস্থায় দ্বিমুখী সৌর সেলের অবদান থাকবে ১৬ শতাংশ অথবা বার্ষিক প্রায় ৩০ হাজার টেরাওয়াট।

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত আলোচিত