ইজতেমার দ্বিতীয় পর্বেও বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা

আপডেট : ২১ জানুয়ারি ২০২৩, ০৩:১২ এএম

টঙ্গীর তুরাগতীরে চলমান বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয় পর্বেও মুসল্লিদের বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা দিচ্ছে সরকারের স্বাস্থ্য বিভাগ। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে ঢাকা ও গাজীপুর সিভিল সার্জন অফিস এবং শহীদ আহসানউল্লাহ মাস্টার জেনারেল হাসপাতাল এই সেবা দিচ্ছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, বিশ্ব ইজতেমায় আসা মুসল্লিদের স্বাস্থ্যসেবা দিতে ১২টি মেডিকেল টিম, ৬টি বিশেষায়িত মেডিকেল টিম, একটি কন্ট্রোল রুম টিম, একটি স্বাস্থ্য শিক্ষা টিম, একটি প্যাথলজি টিম, একটি রেডিওলজি টিম, একটি ফার্মাসিস্ট টিম ও ১১টি স্যানিটারি ইন্সপেক্টর টিম গঠন করা হয়েছে। এসব টিমে ১২ জন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, ৫১ জন চিকিৎসক, ৪ জন ডেন্টাল সার্জনসহ ফার্মাসিস্ট, মেডিকেল টেকনোলজিস্ট, এসএসসিএমও, এইচআই, এএইচআই, অফিস সহায়ক ও অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারী মিলে ১৯৬ জন কাজ করছেন।

গাজীপুর সিভিল সার্জনের তত্ত্বাবধানে হোন্ডা গেট, বাটা গেট, মুন্নু গেট (অলিম্পিয়া স্কুল মাঠ) এবং বিদেশি মেহমানদের জন্য বিশেষ ক্যাম্পসহ চারটি অস্থায়ী মেডিকেল ক্যাম্প পরিচালনা করা হচ্ছে। ঢাকা সিভিল সার্জনের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হচ্ছে তুরাগতীরের বালুর মাঠ ও পানির পাম্পসংলগ্ন দুটি অস্থায়ী মেডিকেল ক্যাম্প।

এ ছাড়া টঙ্গীর অলিম্পিয়া স্কুল মাঠে করোনা ক্যাম্প স্থাপন করা হয়েছে। এই ক্যাম্প থেকে বিনামূল্যে করোনার নমুনা সংগ্রহ, অ্যান্টিজেন টেস্ট ও আরটিপিসিআর টেস্ট করা হচ্ছে এবং স্বাস্থ্য সচেতনতা বার্তা প্রচার করা হচ্ছে।

অধিদপ্তর আরও জানায়, ইজতেমা মাঠের আশপাশে খাবারের দোকান পরিদর্শনে ২৫ জন স্যানিটারি ইন্সপেক্টর খাদ্যনিরাপত্তা পরিদর্শক হিসেবে কাজ করছেন। প্যাথলজি পরীক্ষার জন্য শহীদ আহসানউল্লাহ মাস্টার জেনারেল হাসপাতালের ল্যাবরেটরি প্রস্তুত রাখা হয়েছে এবং প্রয়োজনীয়সংখ্যক মেডিকেল টেকনোলজিস্ট (ল্যাব) ও ল্যাব সহকারী নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। ইজতেমায় গুরুতর রোগী বহনের জন্য সার্বক্ষণিক ১৪টি অ্যাম্বুলেন্স রয়েছে।

অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ইজতেমার প্রথম পর্বে ১৭ হাজার ৬২৬ জন মুসল্লিকে চিকিৎসাসেবা দেওয়া হয়েছে। মারা গেছেন চারজন। এ ছাড়া খাবারের দোকানগুলোতে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে ২৯টি মামলা ও ৯৬ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত