বুধবার, ২২ মে ২০২৪, ৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১
দেশ রূপান্তর

সহকারী প্রক্টরের অপসারণ দাবি

পক্ষে-বিপক্ষে বিক্ষোভ পাবিপ্রবিতে উত্তেজনা

আপডেট : ২৯ জানুয়ারি ২০২৩, ০২:০৯ এএম

পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পাবিপ্রবি) এক সহকারী প্রক্টরের অপসারণ দাবির পক্ষে-বিপক্ষে বিক্ষোভ করেছেন শিক্ষার্থীরা। গতকাল শনিবার দুপুরে প্রশাসনিক ভবনের সামনে প্রথমে সহকারী প্রক্টর ও অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষক আকাশ ব্যাপারীর অপসারণ দাবি করে স্লোগান দিতে শুরু করেন একদল শিক্ষার্থী। একই সময়ে সেখানে ওই শিক্ষকের পক্ষ নিয়ে বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে পাল্টা বিক্ষোভ করেন শিক্ষার্থীদের অপর একটি অংশ। পরে উপ-উপাচার্য মোস্তফা কামাল খান ও প্রক্টর কামাল হোসেনের মধ্যস্থতায় উভয় পক্ষকে সেখান থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়।

পাবিপ্রবি সূত্র জানায়, শনিবার দুপুর ২টার দিকে উভয় পক্ষের পাল্টাপাল্টি স্লোগানে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। পরে উপ-উপাচার্য, প্রক্টর ও জ্যেষ্ঠ শিক্ষকদের মধ্যস্থতায় পরিস্থিতি শান্ত হয়। 

প্রক্টরের বিরুদ্ধে বিক্ষোভকারী সমাজকর্ম বিভাগের শিক্ষার্থী প্রান্ত বলেন, শনিবার দুপুরে সহকারী প্রক্টর কোনো প্রটোকল না মেনে, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলে প্রবেশ করে কয়েকজন শিক্ষার্থীকে গালিগালাজ করে চড়-থাপ্পড় মারতে শুরু করেন। শিক্ষার্থীরা এর প্রতিবাদ জানালে তিনি আরও ক্ষিপ্ত হয়ে দেখে নেওয়ার হুমকি দেন। সহকারী প্রক্টর শিক্ষার্থীদের গায়ে হাত তোলার অধিকার কোথায় পেলেন? আমরা তার অপসারণ চাই।

তবে অর্থনীতি শেষ বর্ষের শিক্ষার্থী ও পাবিপ্রবি সনাতন বিদ্যাপীঠ সংসদের সাধারণ সম্পাদক সুইট ম-ল বলেন, শনিবার সকালে সমাজকর্ম বিভাগের শিক্ষার্থী শানুর নেতৃত্বে কয়েকজন বঙ্গবন্ধু হলে ৫২১ নম্বর কক্ষে এসে আমার কাছে চাঁদা দাবি করেন। আমি প্রতিবাদ জানালে তারা আমাকে মারপিট শুরু করে। আমি নিরাপত্তার জন্য সাহায্য চেয়ে সহকারী প্রক্টর আকাশ  ব্যাপারী স্যারকে ফোন করি। স্যার দ্রুত ঘটনাস্থলে এসে তাদের হামলা থেকে আমাকে রক্ষার চেষ্টা করেন। কিন্তু তারা স্যারের সঙ্গেও দুর্ব্যবহার করে তাকে লাঞ্ছিত করে। এখন ঘটনা অন্যদিকে নিতে স্যারের বিরুদ্ধে এমন মিথ্যা অভিযোগ করছে। আমরা তাদের মিথ্যাচারের প্রতিবাদ জানাতে অবস্থান নিয়েছি।

এ বিষয়ে সহকারী প্রক্টর আকাশ ব্যাপারী বলেন, আমি সহকারী প্রক্টর ও আবাসিক শিক্ষক। হলে ঝামেলার খবর পেয়ে শনিবার সকালে দ্রুত সেখানে যাই।

এ সময় সুইট ম-লকে উদ্ধার করে বিবদমান দুই পক্ষকে প্রক্টর অফিসে এসে বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে অনুরোধ করি। কিন্তু সমাজকর্ম বিভাগের কয়েকজন শিক্ষার্থী উগ্র আচরণ শুরু করে, আমি কেন হলে গিয়েছি বলে চিৎকার চেঁচামেচি করতে থাকে।

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত আলোচিত