সোমবার, ১৫ জুলাই ২০২৪, ৩১ আষাঢ় ১৪৩১
দেশ রূপান্তর

রাঙ্গামাটির সীমান্ত সড়ক ঘুরে দেখলেন সেনাপ্রধান

আপডেট : ৩১ জানুয়ারি ২০২৩, ০৬:৩২ এএম

সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ গতকাল সোমবার পার্বত্য জেলাসমূহে বাস্তবায়িত ৯টি সীমান্ত সড়ক প্রকল্পের মধ্যে রাঙ্গামাটি জেলার রাজস্থলী-সাইচল অংশের উন্নয়ন কার্যক্রম পরিদর্শন করেন। এ সময় সেনাবাহিনী প্রধান প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, জেসিও ও অন্যান্য পদবির সেনাসদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় এবং প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন।

সেনা কর্তৃপক্ষ জানায়, পার্বত্য চট্টগ্রামে সীমান্ত সড়ক ও সংযোগ সড়কসহ প্রকল্পের মোট দৈর্ঘ্য ১ হাজার ৩৬ কিলোমিটার। একনেক অনুমোদিত ৩১৭ কিলোমিটারের মধ্যে ৯৫ কিলোমিটার সড়ক নির্মাণ কাজ ইতিমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। এছাড়া ১৩২ কিলোমিটার নির্মাণকাজ চলমান রয়েছে যা এপ্রিল ২০২৩ এর মধ্যে সম্পন্ন হবে।

প্রকল্পটি সফলভাবে সম্পন্ন হলে পার্বত্য জেলাসমূহের সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করাসহ যোগাযোগ ব্যবস্থার ব্যাপক উন্নয়ন, পার্শ্ববর্তী দেশের সঙ্গে সড়ক যোগাযোগের মাধ্যমে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়াতে ব্যবসা ও বাণিজ্যের প্রসার, সীমান্ত এলাকার কৃষিপণ্য দেশের মূল ভূ-খ-ে পরিবহনের মাধ্যমে এই অঞ্চলের আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নয়ন এবং পার্বত্য জেলাসমূহে বিভিন্ন শিল্প কারখানা স্থাপনের জন্য বড় নিয়ামক হিসেবে কাজ করবে।

পরিদর্শনকালে জেনারেল অফিসার কমান্ডিং (জিওসি) ২৪ পদাতিক ডিভিশন ও এরিয়া কমান্ডার চট্টগ্রাম এরিয়া মেজর জেনারেল মিজানুর রহমান শামীম, সেনাসদর ও স্থানীয় ফরমেশনের ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তারা, অফিসার, জেসিও এবং অন্যান্য পদবির সেনাসদস্যরা এবং গণমাধ্যম ব্যক্তি বর্গ উপস্থিত ছিলেন।

সেনাপ্রধান জেনারেল এসএম শফিউদ্দিন আহমেদ বলেন, জাতীয় পর্যায়ে আমাদের অনেক উন্নয়ন কর্মকাণ্ড পরিচালিত হচ্ছে। এর মধ্যে এই প্রকল্পটি একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প। সীমান্ত সড়ক নির্মাণ একটা দুরূহ কাজ। তারপরও আমাদের যে সময় দেওয়া হয়েছে, কাজের গুণগতমান ঠিক রেখে আমরা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করতে পারব। যেহেতু এটা দুর্গম এলাকা। নেটওয়ার্ক নেই। এমন অঞ্চলে সৈনিকরা কাজ করছে, তাদের মনোবল বৃদ্ধির জন্য আমার এই পরিদর্শন। সড়কটি নির্মাণ শেষ হলে সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিতসহ যোগাযোগ ব্যবস্থার ব্যাপক উন্নয়ন, ব্যবসা ও বাণিজ্যের প্রসার, সীমান্ত এলাকার কৃষিপণ্য দেশের মূল ভূ-খন্ডে পরিবহনের মাধ্যমে এই অঞ্চলের আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নয়ন হবে।

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত আলোচিত