‘করপোরেট আধিপত্যে ক্ষতির মুখে ডিম মাংসের খামারিরা’

আপডেট : ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ০৪:২১ এএম

উৎপাদন থেকে শুরু করে বাজারজাতকরণ পর্যন্ত আধিপত্য বিস্তার করছে এক ধরনের করপোরেট প্রতিষ্ঠান। তবে এ ধরনের আধিপত্যে প্রায় ধ্বংসের পথে প্রান্তিক পোলট্রি খামার ও ডিম উৎপাদনকারীরা। এমন অভিযোগ করে করপোরেট কোম্পানিগুলোর মুরগির মাংস ও ডিম উৎপাদন এবং কন্ট্রাক্ট ফার্মিং বন্ধের দাবি জানিয়েছে ডিলার ও সাধারণ খামারিদের সংগঠন বাংলাদেশ পোলট্রি অ্যাসোসিয়েশন (বিপিএ)। গতকাল সোমবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির নসরুল হামিদ মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলন করে সংগঠনটি। এ সময় সংগঠনের সভাপতি সুমন হাওলাদার, সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস খন্দকারসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।

পোলট্রি খাবার (ফিড), মুরগির বাচ্চা ও মেডিসিনসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় প্রায় সবকিছু উৎপাদন করছে করপোরেট কোম্পানিগুলো। আবার তারা ডিম ও মুরগিও উৎপাদন করছে। পাশাপাশি খামারিদের সঙ্গে কন্ট্রাক্ট ফার্মিংয়েও (চুক্তিভিত্তিক) জড়িত অধিকাংশ কোম্পানি। এ কারণে তাদের দৌরাত্ম্যের সঙ্গে টিকতে পারছে না দেশের সাধারণ খামারিরা। কোম্পানিগুলো বাজারে সিন্ডিকেট করে দাম বাড়াচ্ছে।

বিপিএ সভাপতি সুমন হাওলাদার বলেন, দেশের প্রান্তিক খামারিরা মুরগি ও ডিমের দাম না পেয়ে খামার বন্ধ করে দিয়েছে। ১ লাখ ৬০ হাজার খামারের মধ্যে এখন বন্ধ হয়ে ৬০ হাজারে ঠেকেছে। তারপরও সব খামারে মুরগি নেই। প্রান্তিক খামারি না থাকলে এ সেক্টর টিকবে না। তিনি আরও বলেন, মুরগি ও ডিম উৎপাদনের ক্ষেত্রে এখন করপোরেট কোম্পানিগুলোর শেয়ার রয়েছে ১০ শতাংশ। তবে বাচ্চা, ফিড ও অন্যান্য উপকরণ তাদের শতভাগ দখলে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত