রাজশাহীর গোদাগাড়ী সীমান্ত মাদকদ্রব্য হেরোইন পাচারের বহুল ব্যবহৃত রুট। ভারত থেকে দীর্ঘদিন ধরে এ সীমান্ত দিয়েই হেরোইন বাংলাদেশে ঢোকে। তবে গোদাগাড়ী সীমান্তে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতা বাড়ায় মাদক কারবারিরা হেরোইন পাচারের রুট পাল্টে ফেলেছে। বর্তমানে চাঁপাইনবাবগঞ্জের সোনা মসজিদ এলাকা দিয়ে হেরোইন চোরাচালান হচ্ছে। এসব হেরোইন বিভিন্ন মালবাহী ট্রাকে করে রাজধানীসহ সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে।
গত শনিবার রাতে রাজধানীর দারুস সালাম থানা এলাকা থেকে ট্রাকে করে ২ কেজি ১০০ গ্রাম হেরোইন পাচারকালে দুজনকে গ্রেপ্তারের পর এসব তথ্য জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা-উত্তরা বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) মো. আকরামুল হোসেন।
ডিসি বলেন, বর্তমানে হেরোইন কারবারিরা কাট আউট পদ্ধতিতে কারবার পরিচালনা করছে। চাঁপাইনবাবগঞ্জের সোনা মসজিদ এলাকা দিয়ে হেরোইন দেশে ঢোকার পর স্থানীয় এজেন্টদের মাধ্যমে রাজধানীতে পাঠাচ্ছে। সেখান থেকে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, নারায়ণগঞ্জসহ সারা দেশে যাচ্ছে।
গোয়েন্দা-উত্তরা বিভাগের বিমানবন্দর জোনাল টিমের অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) মো. সাইফুল আলম মুজাহিদ জানান, আগে থেকে খবর পেয়ে গোয়েন্দা পুলিশের একটি টিম দারুস সালাম থানার টেকনিক্যাল মোড় এলাকার একটি বাস কাউন্টারের সামনে অবস্থান নেয়। চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে আসা ট্রাকটি সেখানে পৌঁছলে পুলিশের মাইক্রোবাস দিয়ে ব্যারিকেড দিলে ট্রাক রেখে পালানোর সময় আল আমিন ও জুলমতকে গ্রেপ্তার করা হয়।
