কুমিল্লার নাঙ্গলকোটের হাসানপুর স্টেশনে দুই ট্রেনের সংঘর্ষে ইঞ্জিনসহ লাইনচ্যুত হওয়া ১১টি বগি উদ্ধারের কাজ ৪৮ ঘণ্টা পর শেষ হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যার পর উদ্ধারকাজ শেষ করেন উদ্ধারকর্মীরা। লাইন মেরামতসহ প্রয়োজনীয় সব কাজ শেষে গতকাল মধ্যরাত থেকে ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথের মূল লাইন দিয়ে ট্রেন চলাচল শুরুর আশা করছিলেন রেল কর্তারা।
গত রবিবার সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে হাসানপুর রেলওয়ে স্টেশনে ঢাকা থেকে চট্টগ্রামগামী ‘সোনার বাংলা এক্সপ্রেস’ ট্রেন মেইন লাইন ছেড়ে লুপ লাইনে ঢুকে পড়ে। এ সময় সেখানে দাঁড়িয়ে থাকা মালবাহী একটি ট্রেনকে সজোরে ধাক্কা দিয়ে সেটির ওপরে উঠে পড়ে সোনার বাংলা এক্সপ্রেস। এতে সোনার বাংলা এক্সপ্রেসের ইঞ্জিনসহ দুটি ট্রেনের ১১টি বগি লাইনচ্যুত ও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পরে ওইদিনই রাত ৯টায় লাকসাম ও আখাউড়া থেকে দুটি উদ্ধারকারী রিলিফ ট্রেন ঘটনাস্থলে গিয়ে লাইনচ্যুত বগিগুলো উদ্ধারে বিরতিহীনভাবে কাজ শুরু করে।
হাসানপুর রেলওয়ে স্টেশনের স্টেশন মাস্টার মো. সোহাগ গতকাল রাতে দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘উদ্ধারকাজ শেষে এরই মধ্যে দুটি উদ্ধারকারী রিলিফ ট্রেন ফিরে যাওয়ার প্রস্তুতি নিয়েছে। সর্বশেষ ট্রেনের ইঞ্জিন লাইনে তোলা হয়েছে। আজ মধ্যরাত থেকে দুর্ঘটনাকবলিত লাইনটি সচল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রেল কর্র্তৃপক্ষ। লাইনগুলো ঠিক করা হয়েছে। উদ্ধারকারী রিলিফ ট্রেন ইঞ্জিনটিকে নিয়ে যাবে। আশা করা যাচ্ছে, মধ্যরাত থেকে এই লাইনে ট্রেন চলাচল করবে। এখন শুধু নির্দেশনার অপেক্ষায়।’
